═══ ❖ خُطْبَةُ الْجُمُعَةِ ( 37) ❖ ═══ ৩৭ নং জুম্মার নামাজের । প্রথম খুতবা 👉🌹═ ❖ ═══ ❖👉🌹═══ ❖👉 ❖👉🌹خُطْبَةُ الْجُمُعَةِ (الخُطْبَةُ الأُولَى)“نورُ الحجِّ وآدابُهُ في ضوءِ السنّةِ وزيارةِ الروضةِ الشريفةِ” 👉 হজের নূর, তার আদব এবং সুন্নতের আলোকে রওজা শরিফের জিয়ারত═══ ❖ 👉🌹═ ❖ ═══ ❖👉🌹═══ ❖👉 ❖👉🌹


admin77 প্রকাশের সময় : এপ্রিল ২৮, ২০২৬, ৭:২৩ পূর্বাহ্ন / ০
═══ ❖ خُطْبَةُ الْجُمُعَةِ ( 37) ❖ ═══ ৩৭ নং জুম্মার নামাজের । প্রথম খুতবা                           👉🌹═ ❖ ═══ ❖👉🌹═══ ❖👉 ❖👉🌹خُطْبَةُ الْجُمُعَةِ (الخُطْبَةُ الأُولَى)“نورُ الحجِّ وآدابُهُ في ضوءِ السنّةِ وزيارةِ الروضةِ الشريفةِ” 👉 হজের নূর, তার আদব এবং সুন্নতের আলোকে রওজা শরিফের জিয়ারত═══ ❖ 👉🌹═ ❖ ═══ ❖👉🌹═══ ❖👉 ❖👉🌹
৭০

═══ ❖ خُطْبَةُ الْجُمُعَةِ ( 37) ❖ ═══ ৩৭ নং জুম্মার নামাজের । প্রথম খুতবা
👉🌹═ ❖ ═══ ❖👉🌹═══ ❖👉 ❖👉🌹خُطْبَةُ الْجُمُعَةِ (الخُطْبَةُ الأُولَى)“نورُ الحجِّ وآدابُهُ في ضوءِ السنّةِ وزيارةِ الروضةِ الشريفةِ”
👉 হজের নূর, তার আদব এবং সুন্নতের আলোকে রওজা শরিফের জিয়ারত═══ ❖
👉🌹═ ❖ ═══ ❖👉🌹═══ ❖👉 ❖👉🌹
🌙 البَيَانُ🟢 المقدمة
الحمدُ للهِ الذي شرعَ الحجَّ لعبادِه، وجعلَهُ ركنًا من أركانِ الإسلامِ، وفرضَهُ على المستطيعِ مرةً في العمرِ، والصلاةُ والسلامُ على سيِّدِنا محمدٍ ﷺ الذي بيَّنَ مناسكَ الحجِّ وأحكامَهُ، وعلَّمَ الأمةَ كيفَ تؤدّي هذه العبادةَ العظيمةَ على الوجهِ الأكملِ والأتمِّ.🟢 أحكامُ الحجِّ وآدابُهُ -أيُّها المؤمنون،،إنَّ للحجِّ أحكامًا عظيمةً وأركانًا ثابتةً لا يتمُّ إلا بها، وهي الإحرامُ، والوقوفُ بعرفةَ، والطوافُ بالبيتِ العتيقِ، والسعيُ بينَ الصفا والمروةِ، والحلقُ أو التقصيرُ، مع الترتيبِ والالتزامِ بحدودِ اللهِ تعالى.ويجبُ على الحاجِّ أن يُخلِصَ النيّةَ للهِ تعالى، وأن يتجرَّدَ من الرياءِ والسمعةِ، فإنَّ الحجَّ عبادةُ قلبٍ قبلَ أن تكونَ عبادةَ بدنٍ. قال النبيُّ ﷺ: «الحجُّ المبرورُ ليس لهُ جزاءٌ إلا الجنةُ».ومن آدابِ الحجِّ: حسنُ الخلقِ، والصبرُ على المشقَّاتِ، وتركُ الجدالِ والرفثِ، قال اللهُ تعالى:
﴿فَلَا رَفَثَ وَلَا فُسُوقَ وَلَا جِدَالَ فِي الحَجِّ﴾.
ويجبُ على الحاجِّ أن يُعظِّمَ شعائرَ اللهِ، وأن يحفظَ لسانَهُ وقلبَهُ، وأن يكثرَ من الذكرِ والدعاءِ والتلبيةِ، وأن يستشعرَ أنهُ في ضيافةِ الرحمنِ.🟢 زيارةُ المدينةِ المنوّرةِ وآدابُها أيُّها المؤمنون،إنَّ من أعظمِ القرباتِ بعدَ أداءِ الحجِّ زيارةَ مدينةِ سيدِنا رسولِ اللهِ ﷺ، مدينةِ النورِ والبركةِ، حيثُ مرقدُهُ الشريفُ وقبرُهُ المباركُ.
فزيارةُ المدينةِ ليستْ مجردَ سفرٍ، بل هي من علاماتِ الإيمانِ الصادقِ، ومظهرٌ من مظاهرِ الحبِّ والتعظيمِ لرسولِ اللهِ ﷺ. وقد قال العلماءُ: إنَّ تركَ زيارةِ المدينةِ مع القدرةِ عليها بعدَ الحجِّ يُعدُّ حرمانًا من الخيرِ، وتركًا للأدبِ مع جنابِ النبيِّ ﷺ.ومن آدابِ الزيارةِ: الوقوفُ بخشوعٍ عندَ الروضةِ الشريفةِ، وكثرةُ الصلاةِ والسلامِ على النبيِّ ﷺ، وخفضُ الصوتِ، واستحضارُ الهيبةِ والمحبةِ، وتجنبُ كلِّ ما يُنافي الأدبَ في حضرةِ سيدِ الكائناتِ ﷺ.فمن حجَّ ولم يزرْ المدينةَ مع القدرةِ، فقد فاتهُ خيرٌ عظيمٌ، وتركَ أدبًا جليلًا من آدابِ المحبةِ والوفاءِ.🟢اعلموا أنَّ زيارةَ مدينةِ رسولِ اللهِ ﷺ من أعظمِ القُرباتِ، وأجلِّ الطاعاتِ، ومظهرٍ صادقٍ من مظاهرِ محبَّةِ النبيِّ ﷺ وتعظيمِه.وقد شُرِّفتْ مدينةُ النبيِّ ﷺ بفضلٍ عظيمٍ، وجعلَ اللهُ تعالى لها حُرمةً وحرَمًا كما جعلَ لمكةَ المكرمةِ حرَمًا، قال رسولُ اللهِ ﷺ:«إِنَّ إِبْرَاهِيمَ حَرَّمَ مَكَّةَ، وَإِنِّي حَرَّمْتُ الْمَدِينَةَ مَا بَيْنَ لابَتَيْهَا»(متفق عليه)فحرَمُ مكةَ المكرمةِ يمتدُّ على مساحةٍ عظيمةٍ، وكذلك حرَمُ المدينةِ المنوّرةِ لهُ حدودهُ الشرعيةُ المباركةُ، وكلاهما أرضٌ مقدسةٌ مُعظَّمةٌ في شريعةِ الإسلامِ.واعلموا أنَّ زيارةَ المدينةِ المنوّرةِ ليستْ مجرّدَ عادةٍ، بل هي من كمالِ الأدبِ مع رسولِ اللهِ ﷺ، ومظهرٌ من مظاهرِ الوفاءِ والاتباعِ والمحبةِ الصادقةِ.
وقد وردَ في الحديثِ الشريفِ:«مَنْ زَارَ قَبْرِي وَجَبَتْ لَهُ شَفَاعَتِي»(رواه الدارقطني وغيره، وله شواهد)الخاتمة -نسألُ اللهَ أن يرزقَنا حجًّا مبرورًا، وزيارةً مقبولةً، ويجعلَنا من أهلِ المحبةِ، ويحيينا على السنّةِ، ويميتَنا على الإيمانِ، ويجمعَنا مع النبيِّ ﷺ في الفردوسِ الأعلى. 👉🌹═ ❖ ═══ ❖👉🌹═══ ❖👉 ❖👉🌹

ভূমিকা (অনুবাদ)সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি তাঁর বান্দাদের জন্য হজকে বিধান করেছেন এবং এটিকে ইসলামের একটি স্তম্ভ বানিয়েছেন, এবং সামর্থ্যবান ব্যক্তির উপর জীবনে একবার ফরজ করেছেন। আর দরূদ ও সালাম বর্ষিত হোক সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ আমাদের প্রিয় নবী মুহাম্মদ ﷺ-এর উপর, যিনি হজের বিধান ও এর নিয়মাবলি স্পষ্টভাবে বর্ণনা করেছেন এবং উম্মতকে এই মহান ইবাদতটি সর্বোত্তম ও পূর্ণাঙ্গভাবে পালন করতে শিক্ষা দিয়েছেন।🟢 হজের আহকাম ও আদব
হে ঈমানদারগণ!নিশ্চয়ই হজের কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিধান ও ভিত্তি রয়েছে, যেগুলো ছাড়া হজ পূর্ণ হয় না। সেগুলো হলো: ইহরাম বাঁধা, আরাফাতে ময়দানে অবস্থান করা, কাবা ঘর তাওয়াফ করা, সাফা-মারওয়ার মাঝে সাঈ করা, মাথা মুন্ডন বা চুল ছোট করা—এবং আল্লাহর নির্ধারিত সীমা ও নিয়মাবলি অনুসরণ করা।হাজির উচিত নিজের নিয়তকে আল্লাহর জন্য একনিষ্ঠ করা এবং রিয়া (লোক দেখানো) ও খ্যাতির উদ্দেশ্য থেকে নিজেকে মুক্ত রাখা। কারণ হজ প্রথমত অন্তরের ইবাদত, এরপর শরীরের ইবাদত। নবীﷺবলেছেন: “মাবরুর হজের প্রতিদান জান্নাত ছাড়া আর কিছুই নয়।”হজের আদবসমূহের মধ্যে রয়েছে উত্তম চরিত্র, কষ্টের উপর ধৈর্য ধারণ করা, ঝগড়া ও অশ্লীলতা পরিত্যাগ করা। আল্লাহ তাআলা বলেন: “হজের মধ্যে কোনো অশ্লীলতা, পাপাচার ও ঝগড়া নেই।”হাজির উচিত আল্লাহর নিদর্শনসমূহকে সম্মান করা, নিজের জিহ্বা ও অন্তরকে সংরক্ষণ করা, বেশি বেশি যিকির, দোয়া দুরুদ সালাম ও তালবিয়া পাঠ করা এবং এ অনুভব করা যে সে রহমানের মেহমান।🟢 মদিনা জিয়ারত ও তার আদব হে ঈমানদারগণ!হজের পর সবচেয়ে বড় নৈকট্যের কাজগুলোর একটি হলো সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ আমাদের প্রিয় নবী রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর পবিত্র শহর মদিনা মুনাওয়ারা জিয়ারত করা—যেখানে তাঁর পবিত্র রওজা শরিফ রয়েছে।
মদিনা জিয়ারত শুধু একটি সফর নয়; বরং এটি সত্যিকারের ঈমানের আলামত এবং রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর প্রতি ভালোবাসা ও সম্মানের বহিঃপ্রকাশ। ওলামাগণ বলেছেন, সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও হজের পর মদিনা জিয়ারত পরিত্যাগ করা একটি বড় কল্যাণ থেকে বঞ্চিত হওয়া এবং নবী ﷺ-এর প্রতি আদবের ঘাটতির লক্ষণ।
মদিনা জিয়ারতের আদবের মধ্যে রয়েছে: রওজা শরিফের সামনে বিনয় ও ভয়ের সাথে দাঁড়ানো, নবী ﷺ-এর উপর বেশি বেশি দরূদ ও সালাম পাঠ করা, স্বর নিচু রাখা, মর্যাদা ও ভালোবাসা হৃদয়ে ধারণ করা এবং সকল ধরনের অশোভন আচরণ পরিহার করা পরিহার করা।
অতএব, যে ব্যক্তি হজ করল কিন্তু সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও মদিনা জিয়ারত করল না, সে একটি মহান কল্যাণ থেকে বঞ্চিত হলো এবং নবী ﷺ-এর প্রতি মহব্বতের একটি গুরুত্বপূর্ণ আদব থেকে পিছিয়ে থাকল।ঈমানদারগণ!
জেনে রাখো, নবী ﷺ-এর পবিত্র শহর মদিনা জিয়ারত করা অত্যন্ত বড় নৈকট্যের কাজ, সর্বোচ্চ ইবাদতসমূহের একটি এবং নবী ﷺ-এর প্রতি ভালোবাসা ও সম্মানের সত্যিকারের প্রকাশ।
আল্লাহ তাআলা মদিনা শহরকে মহান মর্যাদা দান করেছেন এবং এর জন্যও একটি হারাম (পবিত্র সীমা) নির্ধারণ করেছেন, যেমন তিনি মক্কা মুকাররামার জন্য হারাম নির্ধারণ করেছেন। রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
“ইব্রাহিম (আ.) মক্কাকে হারাম ঘোষণা করেছেন, আর আমি মদিনাকে হারাম ঘোষণা করেছি—এর দুই প্রান্তের মধ্যবর্তী অঞ্চলকে।”
অতএব, মক্কা মুকাররামার হারামের মতোই মদিনা মুনাওয়ারারও নির্ধারিত পবিত্র সীমা রয়েছে, এবং উভয়ই ইসলামী শরিয়তে অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ ও পবিত্র ভূমি।
জেনে রাখো, মদিনা মুনাওয়ারা জিয়ারত কোনো সাধারণ অভ্যাস নয়; বরং এটি রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর প্রতি পূর্ণ আদব, ভালোবাসা, অনুসরণ ও সত্যিকার ভক্তির একটি প্রকাশ।নবী ﷺ-এর একটি হাদিসে এসেছে:“যে ব্যক্তি আমার কবর জিয়ারত করে, তার জন্য আমার শাফাআত অবধারিত হয়ে যায়।”👉 “আমরা আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি, তিনি যেন আমাদেরকে কবুল হজ দান করেন, কবুল জিয়ারত দান করেন, আমাদেরকে মহব্বতের অধিকারীদের অন্তর্ভুক্ত করেন, আমাদেরকে সুন্নাহর উপর জীবিত রাখেন, ঈমানের উপর মৃত্যু দান করেন এবং জান্নাতুল ফিরদাউসে নবী ﷺ-এর সাথে আমাদেরকে একত্রিত করেন।” আমিন। 👉🌹═ ❖ ═══ ❖👉🌹═══ ❖👉 ❖👉🌹 জুমার নামাজের সানী═══ ❖❖ ═══ 🟢 ⑤ খুতবা–৫ (জুজে খামিস)❖ ═══ 🟢 ⑤ الجُزْءُ الخَامِس الخُطْبَةُ الثَّانِيَةُ لِلْجُمُعَةِ (সানি খুতবা): 👉🌹═ ❖ ═══ ❖👉🌹═══ ❖👉 ❖👉🌹
الحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ العَالَمِينَ، نَحْمَدُهُ وَنَسْتَعِينُهُ وَنَسْتَغْفِرُهُ،
وَنُؤْمِنُ بِهِ وَنَتَوَكَّلُ عَلَيْهِ، وَنَعُوذُ بِاللَّهِ مِنْ شُرُورِ أَنْفُسِنَا وَمِنْ سَيِّئَاتِ أَعْمَالِنَا.
مَنْ يَهْدِهِ اللَّهُ فَلَا مُضِلَّ لَهُ، وَمَنْ يُضْلِلْ فَلَا هَادِيَ لَهُ.
وَأَشْهَدُ أَنْ لَا إِلٰهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ،
وَأَشْهَدُ أَنَّ سَيِّدَنَا وَمَوْلَانَا مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ ﷺ.
اللَّهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ وَبَارِكْ عَلَى سَيِّدِنَا مُحَمَّدٍ،وَعَلَى آلِهِ وَأَزْوَاجِهِ وَذُرِّيَّتِهِ،وَعَلَى جَمِيعِ الأَنْبِيَاءِ وَالْمُرْسَلِينَ،
وَعَلَى الصَّحَابَةِ أَجْمَعِينَ،وَعَلَى التَّابِعِينَ وَتَابِعِي التَّابِعِينَ،
وَعَلَى الأَوْلِيَاءِ وَالصَّالِحِينَ،بِرَحْمَتِكَ يَا أَرْحَمَ الرَّاحِمِينَ.
أَمَّا بَعْدُ، فَيَا عِبَادَ اللَّهِ!اتَّقُوا اللَّهَ حَقَّ تُقَاتِهِ، وَلَا تَمُوتُنَّ إِلَّا وَأَنْتُمْ مُسْلِمُونَ.يَا أَيُّهَا الْمُؤْمِنُونَ! اعْلَمُوا أَنَّ الْإِسْلَامَ لَيْسَ دِينًا جَدِيدًا، بَلْ هُوَ الدِّينُ الْحَقُّ الَّذِي أَرْسَلَهُ اللَّهُ تَعَالَى لِلْبَشَرِيَّةِ مُنْذُ بَدْءِ خَلْقِهَا.فَقَدْ كَانَ سَيِّدُنَا آدَمُ عَلَيْهِ السَّلَامُ عَلَى دِينِ الْإِسْلَامِ، وَكَانَ أَوَّلَ نَبِيٍّ وَدَاعٍ إِلَى اللَّهِ.
ثُمَّ أَرْسَلَ اللَّهُ تَعَالَى أَنْبِيَاءَ وَرُسُلًا كَثِيرِينَ، وَقَدِ اشْتُهِرَ أَنَّ عَدَدَهُمْ مِائَةٌ وَأَرْبَعَةٌ وَعِشْرُونَ أَلْفًا أَوْ أَكْثَرُ،وَكُلُّهُمْ دَعَوْا إِلَى قَوْلٍ وَاحِدٍ:﴿اعْبُدُوا اللَّهَ وَلَا تُشْرِكُوا بِهِ شَيْئًا﴾.
وَقَدْ أَتَمَّ اللَّهُ تَعَالَى هَذَا الدِّينَ بِبِعْثَةِ نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ ﷺ،
قَالَ اللَّهُ تَعَالَى:﴿الْيَوْمَ أَكْمَلْتُ لَكُمْ دِينَكُمْ﴾ [المائدة: ٣].
وَقَالَ تَعَالَى:﴿إِنَّ الدِّينَ عِندَ اللَّهِ الْإِسْلَامُ﴾ [آل عمران: ١٩].فَعَلَيْكُمْ بِالْإِسْلَامِ الصَّحِيحِ، وَتَمَسَّكُوا بِهِ، وَادْعُوا إِلَيْهِ بِالْحِكْمَةِ وَالْمَوْعِظَةِ الْحَسَنَةِأَكْثِرُوا مِنَ الصَّلَاةِ وَالسَّلَامِ عَلَى النَّبِيِّ ﷺ،
قَالَ اللَّهُ تَعَالَىٰ:
﴿إِنَّ اللَّهَ وَمَلَائِكَتَهُ يُصَلُّونَ عَلَى النَّبِيِّ ۚ يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا صَلُّوا عَلَيْهِ وَسَلِّمُوا تَسْلِيمًا “آمَنَّا بِاللَّهِ وَرَسُولِهِ ﷺإِنَّ أَهْلَ البَيْتِ النَّبَوِيِّ ﷺ هُمُ:
اللَّهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ وَبَارِكْ عَلَى سَيِّدِنَا مُحَمَّدٍ ﷺ، وَعَلِيٌّ، وَفَاطِمَةُ، وَالحَسَنُ، وَالحُسَيْنُ رضي اللهُ عنهم،
وَهُمْ أَهْلُ الكِسَاءِ الَّذِينَ أَذْهَبَ اللَّهُ عَنْهُمُ الرِّجْسَ وَطَهَّرَهُمْ تَطْهِيرًااللهم ارزقنا التوفيق للقيام عند السلام تعظيماً لرسولك الكريم ﷺ اللهم اغرس في قلوبنا حبَّ نور المصطفى ﷺواخلق في قلوبنا محبة أهل البيت الكرام واكتب في قلوبنا نور المصطفى ﷺ.اللَّهُمَّ ارْضَ عَنْ جَمِيعِ صَحَابَةِ نَبِيِّكَ ﷺ، وَخُصَّ بِالرِّضْوَانِ سَيِّدَنَا أَبَا بَكْرٍ، وَسَيِّدَنَا عُمَرَ، وَسَيِّدَنَا عُثْمَانَ، وَسَيِّدَنَا عَلِيًّا رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمْ أَجْمَعِينَ،وَعَنِ التَّابِعِينَ وَتَابِعِي التَّابِعِينَ، وَمَنْ خَدَمَ هَذَا الدِّينَ مُخْلِصًا إِلَىٰ يَوْمِ القِيَامَةِ.اللَّهُمَّ ارْضَ عَنْ أَوْلِيَائِكَ الصَّالِحِينَ، وَأَهْلِ الطَّرِيقَةِ وَالمَعْرِفَةِ، وَاجْعَلْنَا مِنْ أَحِبَّائِهِمْ وَالسَّائِرِينَ عَلَىٰ نَهْجِهِمْ. .الأَحْيَاءِ مِنْهُمْ وَالأَمْوَاتِ.اللَّهُمَّ أَصْلِحْ لَنَا دِينَنَا الَّذِي هُوَ عِصْمَةُ أَمْرِنَا،وَأَصْلِحْ لَنَا دُنْيَانَا الَّتِي فِيهَا مَعَاشُنَا،وَأَصْلِحْ لَنَا آخِرَتَنَا الَّتِي فِيهَا مَعَادُنَا.اللَّهُمَّ انْصُرِ الإِسْلَامَ وَالْمُسْلِمِينَ،وَأَعْلِ بِفَضْلِكَ كَلِمَةَ الحَقِّ وَالدِّينِ.
عِبَادَ اللَّهِ!إِنَّ اللَّهَ يَأْمُرُ بِالْعَدْلِ وَالإِحْسَانِ وَإِيتَاءِ ذِي القُرْبَى عَنِ الفَحْشَاءِ وَالمُنكَرِ وَالبَغْيِ،يَعِظُكُمْ لَعَلَّكُمْ تَذَكَّرُونَ.فَاذْكُرُوا اللَّهَ يَذْكُرْكُمْ، وَاشْكُرُوهُ عَلَى نِعَمِهِ يَزِدْكُمْ،وَلَذِكْرُ اللَّهِ أَكْبَرُ، وَاللَّهُ يَعْلَمُ مَا تَصْنَعُونَ
🇧🇩 অনুবাদ 👉🌹═ ❖ ═══ ❖👉🌹═══ ❖👉 ❖👉🌹
সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি মহা বিশ্বজগত সমুহের প্রতিপালক। আমরা আপনার প্রশংসা করি, আপনার নিকট সাহায্য প্রার্থনা করি এবং আপনার নিকট ক্ষমা চাই।
আমরা আপনার উপর ঈমান আনি এবং আপনার উপরই ভরসা করি।
আমরা আমাদের নফসের অনিষ্টতা এবং আমাদের আমলের মন্দ ফলাফল থেকে আপনার কাছে আশ্রয় চাই।
যাকে আল্লাহ হিদায়াত দেন, তাকে কেউ পথভ্রষ্ট করতে পারে না; আর যাকে আপনি পথভ্রষ্ট করেন, তাকে কেউ হিদায়াত দিতে পারে না।
আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই—তিনি এক, তাঁর কোনো শরীক নেই।
এবং আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আমাদের প্রিয় নবী ও মাওলা মুহাম্মদ ﷺ আপনার বান্দা ও রাসূল।
হে আল্লাহ! আপনি দুরুদ, সালাম ও বরকত বর্ষণ করুন আমাদের প্রিয় নবী মুহাম্মদ ﷺ-এর উপর,
তাঁর পরিবারবর্গ, তাঁর স্ত্রীগণ, তাঁর বংশধরগণ, সকল নবী ও রাসূল আলালিহিসসালাম গণের উপর,সকল সাহাবী , তাবেঈন ও তাবে-তাবেঈনগনদের উপরএবং সকল অলী ও নেককার বান্দাদের উপর—হে সর্বাধিক চির দয়ালু, আপনার রহমতে।অতঃপর—হে আল্লাহর বান্দাগণ! আপনারা আল্লাহকে যথাযথভাবে ভয় করো এবং মুসলিম না হয়ে কখনো মৃত্যু বরণ করো না।হে মুমিনগণ! জেনে রাখোন—ইসলাম কোনো নতুন ধর্ম নয়; বরং এটি সেই সত্য দ্বীন, যা আল্লাহ তাআলা মানবজাতির সূচনালগ্ন থেকেই প্রেরণ করেছেন।নিশ্চয়ই আমাদের পিতা আদম (আ.) ইসলাম ধর্মের উপর ছিলেন এবং তিনিই ছিলেন প্রথম নবী ও আল্লাহর পথে আহ্বানকারী।
এরপর আল্লাহ তাআলা অসংখ্য নবী ও রাসূল আঃ গনদের কে প্রেরণ করেছেন। যে তাঁদের সংখ্যা এক লক্ষ চব্বিশ হাজার বা তারও বেশি।
তাঁরা সবাই একটিই দাওয়াত দিয়েছেন—
“তোমরা আল্লাহর ইবাদত করো এবং আল্লাহর সাথে কাউকে শরীক করো না।” আর আল্লাহ তাআলা আমাদের নবী মুহাম্মদ ﷺ-কে প্রেরণের মাধ্যমে এই দ্বীনকে পূর্ণতা দান করেছেন।
আল্লাহ তাআলা বলেন—আজ আমি তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীনকে পরিপূর্ণ করে দিলাম।”
এবং তিনি বলেন—নিশ্চয়ই আল্লাহর নিকট একমাত্র গ্রহণযোগ্য দ্বীন হলো ইসলাম।”
অতএব, তোমরা বিশুদ্ধ ইসলাম আঁকড়ে ধরো, এর উপর দৃঢ় থাকো এবং জ্ঞান ও উত্তম উপদেশের মাধ্যমে এর দিকে মানুষকে আহ্বান করো।তোমরা নবী ﷺ-এর উপর অধিক পরিমাণে দরুদ ও সালাম পাঠ করো।আল্লাহ তাআলা বলেন—
“নিশ্চয়ই আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতাগণ নবী ﷺ এর উপর দুরুদ সালামপাঠ করেন; হে মুমিনগণ! তোমরাও নবী ﷺ এর উপর দুরুদ ও সালাম পাঠ কর।”আমরা আল্লাহ ও তাঁর রাসূল ﷺ-এর প্রতি ঈমান এনেছি।নিশ্চয়ই নবী পরিবারের অন্তর্ভুক্ত হলেন—মুহাম্মদ ﷺ, আলী, ফাতিমা, হাসান ও হুসাইন (রাঃ)।তাঁরাই সেই আহলে কিসা, যাদের থেকে আল্লাহ অপবিত্রতা দূর করেছেন এবং তাঁদেরকে পূর্ণরূপে পবিত্র করেছেন।
হে আল্লাহ! আমাদেরকে এমন তাওফিক দিন যাতে আমরা রাসূল ﷺ-এর সম্মানে দরুদের সময় দাঁড়াতে পারি।হে আল্লাহ! আমাদের অন্তরে নূরে মোস্তফা ﷺ-এর ভালোবাসা স্থাপন করুন।
আমাদের অন্তরে আহলে বাইতের ভালোবাসা সৃষ্টি করুন এবং আমাদের অন্তরকে নূরে মোস্তফা ﷺ-এর আলো দিয়ে আলোকিত করুন।
হে আল্লাহ! আপনার নবীﷺএর সকল সাহাবীগনের উপর সন্তুষ্ট হোন—বিশেষ করে আবু বকর, উমর, উসমান ও আলী (রাঃ)-এর উপর।
এবং তাবেঈন, তাবে-তাবেঈন এবং যারা কিয়ামত পর্যন্ত নিষ্ঠার সাথে এই দ্বীনের খেদমত করবে—তাদের সকলের উপর সন্তুষ্ট হোন।
হে আল্লাহ! আপনার সকল নেককার অলী, তাসাউফ ও মারেফাতের পথের অনুসারীদের উপর সন্তুষ্ট হোন এবং আমাদেরকে তাঁদের ভালোবাসার অন্তর্ভুক্ত করুন এবং তাঁদের পথের অনুসারী বানান।জীবিত ও মৃত সকলের উপর রহমত নাজিল করুন।হে আল্লাহ! আমাদের দীনকে সংশোধন করুন—যা আমাদের জীবনের মূল ভিত্তি।
আমাদের দুনিয়াকে সংশোধন করুন—যেখানে আমাদের জীবনযাপন।
আমাদের আখিরাতকে সংশোধন করুন—যেখানে আমাদের প্রত্যাবর্তন।
হে আল্লাহ! ইসলাম ও মুসলমানদের সাহায্য করুন এবং আপনার অনুগ্রহে সত্য ও দ্বীনের বাণীকে উচ্চে তুলে ধরুন।
হে আল্লাহর বান্দাগণ! নিশ্চয়ই আল্লাহ ন্যায়বিচার, সদাচরণ এবং আত্মীয়স্বজনকে দান করার নির্দেশ দেন
এবং অশ্লীলতা, অন্যায় ও সীমালঙ্ঘন থেকে নিষেধ করেন।
তিনি তোমাদের উপদেশ দেন, যাতে তোমরা উপদেশ গ্রহণ করো।
অতএব, তোমরা আল্লাহকে স্মরণ করো—তিনি তোমাদের স্মরণ করবেন।
তাঁর নিয়ামতের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করো—তিনি তা বৃদ্ধি করবেন।
আর আল্লাহর স্মরণই সর্বশ্রেষ্ঠ, এবং তোমরা যা করো আল্লাহ তা জানেন।।👉🌹═ ❖ ═══ ❖👉🌹═══ ❖👉 ❖👉🌹

আউলিয়া ইকরাম বিভাগের আরো খবর

আরও খবর