═👉🌹═ ❖👉 خُطْبَةُ الْجُمُعَةِ ৩৫ নং জুম্মার নামাজের । প্রথম খুতবা خُطْبَةُ الْجُمُعَةِ (الخُطْبَةُ الأُولَى)مَحَبَّةُ الصَّحَابَةِ الكِرَامِ لِلنَّبِيِّ المُصْطَفَى ﷺوَتَجَلِّيَاتُهَا فِي التَّعْظِيمِ وَالِاتِّبَاعِ وَالتَّضْحِيَةِ👉🌹═ ❖ ═══ ❖👉🌹═══ ❖👉 ❖👉🌹 ❖👉 সাহাবায়ে কেরামের রাসূলে মোস্তফাﷺ-এর প্রতি মহব্বত— সম্মান, অনুসরণ ও আত্মত্যাগে যার উজ্জ্বল প্রকাশ —👉🌹═══ ❖👉 ❖👉🌹


admin77 প্রকাশের সময় : এপ্রিল ২৮, ২০২৬, ৭:০৬ পূর্বাহ্ন / ০
═👉🌹═ ❖👉 خُطْبَةُ الْجُمُعَةِ  ৩৫ নং জুম্মার নামাজের । প্রথম খুতবা                            خُطْبَةُ الْجُمُعَةِ (الخُطْبَةُ الأُولَى)مَحَبَّةُ الصَّحَابَةِ الكِرَامِ لِلنَّبِيِّ المُصْطَفَى ﷺوَتَجَلِّيَاتُهَا فِي التَّعْظِيمِ وَالِاتِّبَاعِ وَالتَّضْحِيَةِ👉🌹═ ❖ ═══ ❖👉🌹═══ ❖👉 ❖👉🌹 ❖👉  সাহাবায়ে কেরামের রাসূলে মোস্তফাﷺ-এর প্রতি মহব্বত— সম্মান, অনুসরণ ও আত্মত্যাগে যার উজ্জ্বল প্রকাশ —👉🌹═══ ❖👉 ❖👉🌹
৯৭

═👉🌹═ ❖👉 خُطْبَةُ الْجُمُعَةِ ৩৫ নং জুম্মার নামাজের । প্রথম খুতবা
خُطْبَةُ الْجُمُعَةِ (الخُطْبَةُ الأُولَى)مَحَبَّةُ الصَّحَابَةِ الكِرَامِ لِلنَّبِيِّ المُصْطَفَى ﷺوَتَجَلِّيَاتُهَا فِي التَّعْظِيمِ وَالِاتِّبَاعِ وَالتَّضْحِيَةِ👉🌹═ ❖ ═══ ❖👉🌹═══ ❖👉 ❖👉🌹
❖👉 সাহাবায়ে কেরামের রাসূলে মোস্তফাﷺ-এর প্রতি মহব্বত— সম্মান, অনুসরণ ও আত্মত্যাগে যার উজ্জ্বল প্রকাশ —👉🌹═══ ❖👉 ❖👉🌹
🟢 المُقَدِّمَةُ الحمدُ للهِ ربِّ العالمين، والصلاةُ والسلامُ على سيِّدِنا محمدٍ ﷺ نورِ الهدايةِ وسراجِها، وعلى آلهِ وصحبِهِ أجمعين. أمّا بعدُ، فإنَّ محبَّةَ الصحابةِ للنبيِّ ﷺ كانت صادقةً عظيمةً، ظهرت في أقوالهم وأفعالهم، وكانت نموذجًا يُحتذى في الإيمانِ والتعظيمِ والاتباعِ الكاملِ لهديه الشريف.🟢 البَيَانُ -لقد ضربَ الصحابةُ الكرامُ رضي اللهُ عنهم أروعَ الأمثلةِ في محبَّتهم لرسولِ اللهِ ﷺ، حتى صارت محبتُهم له ميزانًا للإيمانِ الصادق. فقد كانوا يقدِّمونَهُ على أنفسِهم وأموالِهم وأولادِهم.روى البخاريُّ أنَّ النبيَّ ﷺ قال: «لا يؤمنُ أحدُكم حتى أكونَ أحبَّ إليه من ولدِه ووالدِه والناسِ أجمعين»، فجاءَ عمرُ بنُ الخطابِ رضي اللهُ عنه فقال: يا رسولَ اللهِ، لأنتَ أحبُّ إليَّ من كلِّ شيءٍ إلا من نفسي، فقال ﷺ: «لا، والذي نفسي بيده، حتى أكونَ أحبَّ إليكَ من نفسِكَ»، فقال عمرُ: فإنَّهُ الآنَ واللهِ لأنتَ أحبُّ إليَّ من نفسي، فقال ﷺ: «الآنَ يا عمر».وكانَ الصحابةُ يعظِّمونَ النبيَّ ﷺ تعظيمًا بالغًا، حتى قالَ عمروُ بنُ العاصِ رضي اللهُ عنه: «ما كانَ أحدٌ أحبَّ إليَّ من رسولِ اللهِ ﷺ، ولا أجلَّ في عيني منه، وما كنتُ أُطيقُ أن أملأَ عيني منه إجلالًا له، ولو سُئلتُ أن أصفَهُ ما أطقتُ».ومن مظاهرِ محبتِهم، حرصُهم على الاقتداءِ به في كلِّ صغيرةٍ وكبيرةٍ. قالَ أنسُ بنُ مالكٍ رضي اللهُ عنه: «ما مسستُ حريرًا ولا ديباجًا ألينَ من كفِّ رسولِ اللهِ ﷺ، ولا شممتُ رائحةً قطُّ أطيبَ من رائحةِ رسولِ اللهِ ﷺ».وكانوا يتبرَّكونَ بآثارِه ﷺ، فقد ثبتَ أنَّهم كانوا يتسابقونَ إلى وضوئهِ، ويأخذونَ من شعرِه وثيابِه تبرُّكًا ومحبةً له. وهذا من شدَّةِ تعظيمِهم له ﷺ.وقالَ عليٌّ رضي اللهُ عنه في وصفِ محبتِهم: «كانَ رسولُ اللهِ ﷺ أحبَّ إلينا من أموالِنا وأولادِنا وآبائنا وأمهاتِنا، ومن الماءِ الباردِ على الظمأ».وقالَ القاضي عياضٌ رحمه الله في “الشفا”: «اعلم أنَّ من أحبَّ النبيَّ ﷺ ظهرت علامةُ ذلك عليه، وأولُها الاقتداءُ به واستعمالُ سنتِه».فهذه الأقوالُ تدلُّ على أنَّ محبَّةَ الصحابةِ لم تكن مجرَّدَ دعوى، بل كانت عملاً واتباعًا وتضحيةً في سبيلِه ﷺ، حتى بذلوا أرواحَهم دفاعًا عنه، كما حدثَ في غزواتِ بدرٍ وأحدٍ وغيرها.وكانوا يفرحونَ برؤيتِه، ويحزنونَ لفراقِه، ويبكونَ عندَ ذكرِه، ويكثرونَ من الصلاةِ عليه، وهذا كلُّه من كمالِ محبتِهم له ﷺ.🟢 الخَاتِمَةُ وخلاصةُ القولِ: إنَّ محبَّةَ الصحابةِ لرسولِ اللهِ ﷺ كانت صادقةً عظيمةً، ظهرت في تعظيمِهم واتباعِهم وتضحيتِهم. فعلينا أن نقتديَ بهم في محبَّته، ونُكثِرَ من الصلاةِ عليه، ونتَّبعَ سنّتَهُ، لننالَ شفاعتَهُ ونفوزَ برضا اللهِ تعالى في الدنيا والآخرة
══👉🌹═ ❖ ═══ ❖👉🌹═══ ❖👉 ❖👉🌹═══ ❖👉❖👉 সাহাবায়ে কেরামের রাসূলে মোস্তফাﷺ-এর প্রতি মহব্বত— সম্মান, অনুসরণ ও আত্মত্যাগে যার উজ্জ্বল প্রকাশ —👉🌹═══ ❖👉 ❖👉🌹 ভূমিকা সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি বিশ্বজগত সমুহের প্রতিপালক। দুরূদ ও সালাম বর্ষিত হোক সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ আমাদের প্রিয় নবী মুহাম্মদ ﷺ-এর উপর, যিনি হিদায়াতের নূর ও আলোকবর্তিকা; এবং তাঁর পরিবার ও সকল সাহাবীর উপর। অতঃপর, সাহাবাদের নবী ﷺ-এর প্রতি মহব্বত ছিল সত্য ও মহান, যা তাদের কথা ও কাজে প্রকাশ পেয়েছে।🟢 মূল আলোচনা সাহাবায়ে কেরাম (রাদি.) রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর প্রতি তাদের মহব্বতে এমন অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন, যা সত্য ঈমানের মানদণ্ডে পরিণত হয়েছে। তারা নিজেদের জীবন, সম্পদ ও সন্তানদের চেয়েও তাঁকে অধিক ভালোবাসতেন।
সহিহ বুখারীতে বর্ণিত আছে, নবী ﷺ বলেছেন: “তোমাদের কেউই মুমিন হতে পারবে না, যতক্ষণ না আমি তার কাছে তার সন্তান, পিতা-মাতা এবং সকল মানুষের চেয়ে অধিক প্রিয় হই।” তখন উমর ইবনুল খাত্তাব (রাদি.) বললেন: হে আল্লাহর রাসূল! আপনি আমার কাছে সবকিছুর চেয়ে প্রিয়, তবে আমার নিজের প্রাণ ছাড়া। তখন নবী ﷺ বললেন: “না, সেই সত্তার কসম, যার হাতে আমার প্রাণ, যতক্ষণ না আমি তোমার নিজের প্রাণের চেয়েও প্রিয় হই।” তখন উমর (রাদি.) বললেন: এখন আল্লাহর কসম! আপনি আমার কাছে আমার প্রাণের চেয়েও প্রিয়। তখন নবী ﷺ বললেন: “এখন ঠিক হয়েছে, হে উমর।”
সাহাবায়েকেরাম গনরা নবী ﷺ-কে অত্যন্ত সম্মান করতেন। আমর ইবনুল আস (রাদি.) বলেছেন: “রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর চেয়ে আমার কাছে কেউ বেশি প্রিয় ছিল না, এবং আমার দৃষ্টিতে তাঁর চেয়ে সম্মানিত কেউ ছিল না। আমি তাঁর প্রতি এতটাই শ্রদ্ধা করতাম যে, তাঁর দিকে পূর্ণ দৃষ্টিতে তাকাতে পারতাম না; যদি আমাকে তাঁর বর্ণনা দিতে বলা হতো, আমি তা করতে পারতাম না।”
তাদের মহব্বতের অন্যতম প্রকাশ ছিল—নবী ﷺ-এর প্রতিটি ছোট-বড় কাজে অনুসরণ করা। আনাস ইবন মালিক (রাদি.) বলেছেন: “আমি কখনো এমন কোমল রেশম বা সূক্ষ্ম কাপড় স্পর্শ করিনি, যা রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর হাতের চেয়েও নরম; এবং কখনো এমন সুগন্ধ পাইনি, যা তাঁর সুগন্ধের চেয়েও উত্তম।”তারা নবী ﷺ-এর ব্যবহৃত জিনিস থেকেও বরকত গ্রহণ করতেন। প্রমাণিত আছে, তারা তাঁর ওযুর পানির জন্য প্রতিযোগিতা করতেন এবং তাঁর চুল ও পোশাক থেকে বরকত নিতেন—এটি ছিল তাদের গভীর ভালোবাসা ও সম্মানের বহিঃপ্রকাশ।আলী (রাদি.) বলেছেন: “রাসূলুল্লাহ ﷺ আমাদের কাছে আমাদের সম্পদ, সন্তান, পিতা-মাতা এবং তৃষ্ণার্ত অবস্থায় ঠান্ডা পানির চেয়েও অধিক প্রিয় ছিলেন।”কাযী ইযায (রহ.) তাঁর “আশ-শিফা” গ্রন্থে বলেন: “জেনে রাখো, যে ব্যক্তি নবী ﷺ-কে ভালোবাসে, তার উপর এর লক্ষণ প্রকাশ পায়; আর তার প্রথম লক্ষণ হলো—তাঁর অনুসরণ করা এবং তাঁর সুন্নাহ পালন করা।”
এই সব বক্তব্য প্রমাণ করে যে, সাহাবাদের মহব্বত কেবল মুখের কথা ছিল না; বরং তা ছিল কাজ, অনুসরণ এবং তাঁর পথে ত্যাগ স্বীকারের মাধ্যমে বাস্তবায়িত। তারা তাঁর জন্য নিজেদের জীবন উৎসর্গ করতেও প্রস্তুত ছিলেন, যেমন বদর, উহুদ প্রভৃতি যুদ্ধে দেখা গেছে।তারা তাঁর সাক্ষাতে আনন্দিত হতেন, তাঁর বিচ্ছেদে কষ্ট পেতেন, তাঁর স্মরণে কাঁদতেন এবং তাঁর উপর অধিক দুরূদ পাঠ করতেন—এসবই ছিল তাঁদের পূর্ণাঙ্গ ভালোবাসার নিদর্শন।🟢 উপসংহার সারসংক্ষেপ এই যে: সাহাবাগণের রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর প্রতি ভালোবাসা ছিল সত্য ও মহান; যা তাদের সম্মান, অনুসরণ ও আত্মত্যাগে প্রকাশ পেয়েছে। অতএব, আমাদের উপর কর্তব্য—আমরা তাদের অনুসরণ করি তাঁর ভালোবাসায়, তাঁর উপর অধিক দুরূদ পাঠ করি, এবং তাঁর সুন্নাহ অনুসরণ করি, যেন আমরা যেন প্রিয় নবী নুরে মুজাসসাম ﷺ এর শাফাআত লাভ করি এবং দুনিয়া ও আখিরাতে আপনার সন্তুষ্ট কামনা করি।═ ❖👉 🌹 জুমার নামাজের সানী খুতবা ③ جُزْءُ الثَّالِث (তৃতীয় অংশ) الخُطْبَةُ الثَّانِيَةُ لِلْجُمُعَةِ – ۝ الجُزْءُ الثَّالِثُ ۝ 👉🌹═══ ❖👉 ❖👉🌹الخُطْبَةُ الثَّانِيَةُ সানী খুতবা 👉🌹═══ ❖👉 ❖👉🌹
الحمدُ للهِ الذي أظهرَ نورَ الحبيبِ في أفقِ الوجود، وجعلَ عيد ميلادَه رحمةً للعالمين، وسرًّا من أسرارِ لطفِه المخزون، والصلاةُ والسلامُ على سيِّدنا ومولانا محمّدٍ ﷺ، شمسِ الهداية، وبدرِ الكمال، ومظهرِ أنوارِ المحبّة والجمال، وعلى آلهِ الطاهرين، وصحابتِه الغرِّ الميامين، ومن تبعهم بإحسانٍ إلى يومِ الدين.
أمّا بعدُ؛يا أيُّها الحاضرون الكرام،إنَّ هذا الذي نُحدِّثُكم به اليوم في هذه الخُطبةِ إنَّما هو أنوارُ المحبّةِ والسلامِ والقيامِ في رحابِ مولدِ خيرِ الأنامِ ﷺ، قد جمعناه تعظيمًا لمقامِ حضرةِ المصطفى ﷺ، وإظهارًا لما أودعَهُ اللهُ تعالى في قلوبِ المؤمنين من محبّتِه الشريفة، وقيامًا بواجبِ الأدبِ والتوقيرِ لجنابِه العظيمِ ﷺ، فاسمعوا بقلوبٍ خاشعةٍ، وذُكِّروا أنفسَكم بنورِ المحبّةِ والاتباعِ..”عِطْرًا، اَللّٰهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ عَلَى سَيِّدِنَا حَبِيبِ الْمُصْطَفَى، سِرِّ الْعَالَمِينَ، نُورِ الْمُجَسَّمِ، رَحْمَةٍ مُّهْدَاةٍ، شَمْسِ الْهُدَى، مُحَمَّدٍ وَآلِهِ، صَلَاةً تَمْلَأُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ، وَبِعَدَدِ كُلِّ ذَرَّةٍ مِائَةَ أَلْفِ أَلْفِ مَرَّةٍ، وَبَارِكْ وَسَلِّمْ دَائِمًا أَبَدًا اللَّهُمَّ لا تَجْعَلْ صَلَاتَنَا صيامنا وقيامناوَتِلَاوَتَنَا لِلْقُرْآنِا وركوعنا وسجودنا، وَذِكْرَنَا وَمَوْلِدَنَا وَالصَّلَوَاتِ عَلَى النَّبِيِّ ﷺ وَالسَّلَامَ قِيَامَ الشَّرِيفِ وَصَدَقَاتِنَا، وَجَمِيعَ أَعْمَالِنَا الصَّالِحَةِ.آخِرَ عَمَلِنَا، وَتَقَبَّلْهَا مِنَّا تَقَبُّلًا حَسَنًا، يَا أَرْحَمَ الرَّاحِمِينَ. تَقَبَّلْ مِنَّا . اجْعَلْنَا مِنْ عِبَادِكَ الْمَقْبُولِينَ، وَلَا تَجْعَلْنَا مِنَ الْمَحْرُومِينَ.،، اللهم أعده علينا أعواماً عديدة وأزمنة مديدة ونحن في صحةٍ وعافيةٍ وإيمان..اللهم اجعل هذا البلد آمناً مطمئناً، وسائر بلاد المسلمين، اللهم انشر السلام والرحمة، وارفع عنا الفتن ما ظهر منها وما بطن.اللهم أصلح أحوال المسلمين، وبارك في أرزاقهم، وارفع درجاتهم، وحقق لهم التقدم في الدين والدنيا، واجعلهم من عبادك الصالحين.اللهم عليك بالظالمين فإنهم لا يعجزونك، اللهم خذهم أخذ عزيزٍ مقتدر، وأرنا فيهم عجائب قدرتك، اللهم من أراد بالإسلام والمسلمين سوءاً فاجعل كيده في نحره.اللهم انصر المظلومين في كل مكان، اللهم كن لهم معيناً ونصيراً، وفرج كربهم، واشف جرحاهم، وارحم شهداءهم، واجعلهم من أهل الجنة.اللهم ارزقنا شفاعة نبيك محمد ﷺ يوم القيامة، واسقنا من يده الشريفة شربةً هنيئة لا نظمأ بعدها أبداً.اللهم احشرنا تحت لوائه، واجعلنا من أهل سنته، وارزقنا محبته ومحبّة آله وأصحابه.اللهم ارزقنا صحبة الأولياء والصالحين، واجعلنا من أهل الذكر والمعرفة، ونوّر قلوبنا بنورك، واملأها بحبك يا رب العالمين.اللهم اختم لنا بالحسنى، واجعل آخر كلامنا من الدنيا لا إله إلا الله محمد رسول الله.ﷺ اللَّهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ وَبَارِكْ عَلَى سَيِّدِنَا وَمَوْلَانَا مُحَمَّدٍ ﷺ،النُّورِ الْمُجَسَّمِ، وَالسِّرِّ الْمُعَظَّمِ،الَّذِي خَلَقْتَهُ أَوَّلَ الْخَلْقِ،وَجَعَلْتَهُ مَظْهَرَ نُورِكَ،وَرَحْمَةً لِلْعَالَمِينَ.يَعِظُكُمْ لَعَلَّكُمْ تَذَكَّرُونَ.فَاذْكُرُوا اللَّهَ يَذْكُرْكُمْ، وَاشْكُرُوهُ عَلَى نِعَمِهِ يَزِدْكُمْ،وَلَذِكْرُ اللَّهِ أَكْبَرُ، وَاللَّهُ يَعْلَمُ مَا تَصْنَعُونَ══👉🌹═ ❖ ═══ ❖👉🌹═══ ❖👉 ❖👉🌹═══ ❖👉❖👉
📖 অনুবাদ 👉🌹═ ❖👉 🌹সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি সৃষ্টির দিগন্তে প্রিয় হাবিবে মোস্তফা ﷺএর নূর প্রকাশ করেছেন, এবং তিনির মিলদশরিফ কে সমগ্র জগতসমুহের জন্য রহমত করেছেন, এবং তা গোপন রহমতের একটি রহস্য বানিয়েছেন।আর দুরূদ ও সালাম বর্ষিত হোক সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ আমাদের প্রিয় ও মনিব মুহাম্মদ ﷺ এর উপর—যিনি হেদায়েতের সূর্য, পূর্ণতার চাঁদ, এবং ভালোবাসা ও সৌন্দর্যের নূরের প্রকাশ।এবং তিনার পবিত্র পরিবার, নেককার সাহাবীগণ, এবং যারা তাদের অনুসরণ করেছে করতেছে করবে কিয়ামত দিবস পর্যন্ত উত্তমভাবে সকলের উপর ।
হে সম্মানিত উপস্থিত শ্রোতাগণ!নিশ্চয়ই আজকের এই খুতবায় আমি যা আলোচনা করছি, তা প্রিয়তম নবী হাবিবে রাসুলে মোস্তফা ﷺ-এর মাওলিদ শরিফের পবিত্র পরিবেশ ভালোবাসা, শান্তি এবং কিয়ামের নূর । আমরা এটি সংগ্রহ করেছি রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর মহান মর্যাদাকে সম্মান প্রদর্শনের জন্য, এবং আল্লাহ তাআলা মুমিনদের অন্তরে তাঁর যে পবিত্র ভালোবাসা স্থাপন করেছেন তা প্রকাশ করার জন্য, এবং তাঁর মহান দরবারের প্রতি আদব ও সম্মান প্রদর্শনের দায়িত্ব পালনের জন্য।
অতএব আপনারা বিনম্র হৃদয়ে মনোযোগ সহকারে শুনুন এবং নিজেদেরকে ভালোবাসা ও অনুসরণের আলো দ্বারা স্মরণ করিয়ে দিন।
হে আল্লাহ!সুবাসিত দুরূদ ও সালাম বর্ষণ করুন সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ আমাদের প্রিয় হাবিবে মুস্তফা ﷺ এর উপর—যিনি বিশ্বজগত সুমুহের রহস্য, মূর্ত নূর, প্রেরিত রহমত, হেদায়েতের সূর্য।রাসুলে মোস্তফা মুহাম্মদ ﷺ এবং তাঁর পরিবারের উপর এমন দুরূদ সালাম বর্ষণ করুন যা আসমান ও জমিন পূর্ণ করে, এবং প্রতিটি কণার সংখ্যার সমান লক্ষ লক্ষ বার।এবং সর্বদা, চিরকাল তাঁর উপর রহমত ও শান্তি বর্ষিত হোক।👉হে আল্লাহ! আমাদের নামাজ, রোজা, তিলাওয়াত-ই কোরআন, রুকু, সিজদা, জিকির, মাওলিদ, দুরূদ ও সালামে,কিয়াম-শরিফ,দান-সদকা এবং আমাদের সকল নেক আমল—এসবকে আমাদের শেষ আমল হিসেবে পরিণত করবেন না। আর এগুলো আমাদের থেকে উত্তমভাবে কবুল করুন, হে আল্লাহ আপনী পরম দয়ালুদের মধ্যে সর্বাধিক চির দয়ালু। আমাদেরকে কবুল করুন। আপনার গ্রহণযোগ্য বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত করুন আমাদের কে বঞ্চিতদের অন্তর্ভুক্ত করবেন না।
হে আল্লাহ! বহু বছর ও দীর্ঘ সময় পর্যন্ত আমাদের জন্য এই (নিয়ামত/ইবাদতসমূহ) জারিরাখুন , আর আমাদেরকে সুস্থতা, নিরাপত্তা ও ঈমানের সাথে রাখুন।হে আল্লাহ! এই দেশকে নিরাপদ ও শান্তিময় করুন এবং সমস্ত মুসলিম দেশকে। হে আল্লাহ! শান্তি ও রহমত ছড়িয়ে দিন এবং আমাদের থেকে প্রকাশ্য ও গোপন সব ফিতনা দূর করে দিন।হে আল্লাহ! মুসলমানদের অবস্থা সংশোধন করুন, তাদের রিজিক বরকতময় করুন, তাদের মর্যাদা বৃদ্ধি করুন, দীন ও দুনিয়াতে তাদের উন্নতি দান করুন এবং তাদেরকে আপনার নেক বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত করুন।হে আল্লাহ! জালিমদের বিরুদ্ধে আপনি ব্যবস্থা নিন, কারণ তারা আপনাকে অক্ষম করতে পারবে না। হে আল্লাহ! তাদেরকে কঠিনভাবে পাকড়াও করুন, যেমন পরাক্রমশালী শক্তিশালী ব্যক্তি পাকড়াও করে। হে আল্লাহ! যারা ইসলাম ও মুসলমানদের বিরুদ্ধে খারাপ ইচ্ছা করে, তাদের ষড়যন্ত্রকে তাদের নিজেদের উপর ফিরিয়ে দিন।হে আল্লাহ! পৃথিবীর সকল নির্যাতিতদের সাহায্য করুন, তাদের সহায়ক ও সাহায্যকারী হোন, তাদের কষ্ট দূর করুন, তাদের আহতদের সুস্থ করুন, তাদের শহীদদের রহমত করুন এবং তাদেরকে জান্নাতবাসী করুন।
হে আল্লাহ! আমাদেরকে কিয়ামতের দিন আপনার নবী মুহাম্মদ ﷺ-এর শাফায়াত দান করুন এবং তাঁর পবিত্র হাত থেকে এমন পানীয় পান করান যার পরে আর কখনো পিপাসা লাগবে না।
হে আল্লাহ! আমাদেরকে তাঁর পতাকার নিচে একত্রিত করুন, আমাদেরকে তাঁর সুন্নতের অনুসারী করুন এবং আমাদেরকে তাঁর ও তাঁর পরিবার ও সাহাবীদের ভালোবাসা দান করুন।
হে আল্লাহ! আমাদেরকে অলী ও নেককারদের সঙ্গ দান করুন, আমাদেরকে যিকির ও মারিফাতের মানুষ বানান, আমাদের অন্তরকে আপনার নূর দ্বারা আলোকিত করুন এবং তা আপনার ভালোবাসায় পূর্ণ করুন, হে সমগ্র জগতের প্রতিপালক।হে আল্লাহ! আমাদের শেষ পরিণতি সুন্দর করুন এবং আমাদের শেষ কথা দুনিয়া থেকে “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ” বানিয়ে দিন।হে আল্লাহ!সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ আমাদের প্রিয় মনিব মুহাম্মদ ﷺ-এর উপর দুরূদ, সালাম ও বরকত বর্ষণ করুন—যিনি দেহরূপী নূর, মহান রহস্য, যাকে আপনি প্রথম সৃষ্টির মধ্যে সৃষ্টি করেছেন, এবং যাকে আপনার নূরের প্রকাশ করেছেন, এবং যিনি সমগ্র জগত সমূহের জন্য রহমততিনি তোমাদের হৃদয়কে জাগ্রত করার জন্য উপদেশ দেন, যেন তোমরা গাফলত থেকে ফিরে এসে সত্যকে স্মরণ করো এবং অন্তর দিয়ে উপলব্ধি করো।অতএব তোমরা আল্লাহকে স্মরণ করো—তোমাদের অন্তর যদি তাঁকে স্মরণ করে, তবে আল্লাহও তোমাদের বিশেষ রহমত, দয়া ও নূরের সাথে স্মরণ করবেন।তাঁর অসংখ্য নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করো, তিনি তোমাদের নেয়ামত আরও বাড়িয়ে দেবেন—দুনিয়াতেও বরকত, আখিরাতেও নাজাত দান করবেন।জেনে রেখো, আল্লাহর যিকিরই সবচেয়ে বড় ইবাদত, কারণ এর মাধ্যমে হৃদয় জীবিত হয়, আত্মা প্রশান্তি পায় এবং বান্দা আল্লাহর নৈকট্য লাভ করে।আর তোমরা যা কিছু করো—প্রকাশ্য হোক বা গোপন—আল্লাহ তা সম্পূর্ণভাবে অবগত আছেন; তাঁর থেকে কোনো কিছুই অগোচর নয়।══👉🌹═ ❖ ═══ ❖👉🌹═══ ❖👉 ❖👉🌹═══ ❖👉❖👉