
الحمدُ للهِ الذي جعلَ الصلاةَ صلةً بين العبدِ وربِّه، وجعلَ فيها سكينةَ القلوبِ وراحةَ الأرواحِ، والصلاةُ والسلامُ على سيدنا محمدٍ ﷺ الذي قال: “أرحنا بها يا بلال”. أمّا بعد:
فيا عبادَ اللهِ، إنَّ من أعظمِ أسرارِ الصلاةِ حضورُ القلبِ فيها، فإنَّ الصلاةَ ليست حركاتٍ وسكناتٍ فحسب، بل هي وقوفٌ بين يدي اللهِ تعالى بخشوعٍ وخضوعٍ وإقبالٍ صادقٍ. فمتى غابَ القلبُ، ضعفتِ الصلاةُ، وفقدتْ روحَها ومعناها.
إنَّ حضورَ القلبِ هو أن يجتمعَ العبدُ بقلبِه وجوارحِه على طاعةِ اللهِ، فلا يلتفتُ إلى الدنيا، ولا ينشغلُ بغيرِ ربِّه، بل يكونُ مستحضرًا عظمةَ اللهِ، مراقبًا له في كلِّ ركنٍ من أركانِ صلاتِه. فإذا قرأَ، تدبَّرَ، وإذا ركعَ، خضعَ، وإذا سجدَ، اقتربَ من ربِّه بقلبٍ حاضرٍ خاشعٍ.
وقد قالَ بعضُ السلفِ:
“الصلاةُ بلا حضورِ القلبِ كالجسدِ بلا روحٍ”،
فدلَّ ذلكَ على أنَّ حقيقةَ الصلاةِ لا تكتملُ إلا بحضورِ القلبِ فيها.
فاحرصوا رحمكم اللهُ على إصلاحِ قلوبِكم، وتفريغِها من شواغلِ الدنيا عندَ الصلاةِ، واستحضارِ الوقوفِ بين يدي اللهِ تعالى، فإنَّ من خشعَ قلبُه، صلحتْ صلاتُه، ومن صلحتْ صلاتُه، صلحَ حالُهُ كلُّهُ.
الخاتمة
فَأَقِيمُوا الصَّلَاةَ بِحُضُورِ القَلْبِ وَخُشُوعِ الجَوَارِحِ، تَنَالُوا قُرْبَ اللَّهِ وَرِضْوَانَهُ، وَتَفُوزُوا بِالسَّعَادَةِ فِي الدُّنْيَا وَالآخِرَةِ. .═════ ❖ ❖ ═══ ❖الخُطْبَةُ الثَّانِيَةُ ❖ ═══❖ সানী খুতবা
الحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ العَالَمِينَ، نَحْمَدُهُ وَنَسْتَعِينُهُ وَنَسْتَغْفِرُهُ، وَنَعُوذُ بِاللَّهِ مِنْ شُرُورِ أَنْفُسِنَا وَسَيِّئَاتِ أَعْمَالِنَا، مَنْ يَهْدِهِ اللَّهُ فَلَا مُضِلَّ لَهُ، وَمَنْ يُضْلِلْ فَلَا هَادِيَ لَهُ.
وَأَشْهَدُ أَنْ لَا إِلٰهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، وَأَشْهَدُ أَنَّ سَيِّدَنَا مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ.اللَّهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ وَبَارِكْ عَلَىٰ سَيِّدِنَا مُحَمَّدٍ، وَعَلَىٰ آلِهِ وَصَحْبِهِ والأولياءِ الصالحين أَجْمَعِينَ.أَمَّا بَعْدُ:
فَيَا عِبَادَ اللَّهِ، أُوصِيكُمْ وَنَفْسِي بِتَقْوَى اللَّهِ.
اللَّهُمَّ إِنِّي أُجَدِّدُ الإِيمَانَ وَالإِسْلَامَ، وَأَتُوبُ إِلَيْكَ تَوْبَةً نَصُوحًا مِنْ جَمِيعِ الذُّنُوبِ وَالآثَامِ.
أَتُوبُ إِلَى اللَّهِ جَلَّ جَلَالُهُ تَوْبَةً نَصُوحًا، مِنْ جَمِيعِ الذُّنُوبِ وَالكَبَائِرِ وَالصَّغَائِرِ، وَمِنَ الشِّرْكِ ظَاهِرِهِ وَبَاطِنِهِ، مَعْلُومِهِ وَمَجْهُولِهِ.رَضِيتُ بِاللَّهِ رَبًّا، وَبِالإِسْلَامِ دِينًا، وَبِمُحَمَّدٍ ﷺ نَبِيًّا وَرَسُولًا.لَا إِلٰهَ إِلَّا اللَّهُ، مُحَمَّدٌ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ.
أَكْثِرُوا مِنَ الصَّلَاةِ وَالسَّلَامِ عَلَى النَّبِيِّ ﷺ، قَالَ اللَّهُ تَعَالَىٰ:﴿إِنَّ اللَّهَ وَمَلَائِكَتَهُ يُصَلُّونَ عَلَى النَّبِيِّ ۚ يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا صَلُّوا عَلَيْهِ وَسَلِّمُوا تَسْلِيمًا﴾
اللَّهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ وَبَارِكْ عَلَىٰ سَيِّدِنَا مُحَمَّدٍ ﷺ، النُّورِ المُبِينِ، وَالرَّحْمَةِ المُهْدَاةِ، الَّذِي بَلَّغَ الرِّسَالَةَ وَأَدَّى الأَمَانَةَ وَنَصَحَ الأُمَّةَ.اللَّهُمَّ ارْضَ عَنِ الخُلَفَاءِ الرَّاشِدِينَ:
سَيِّدِنَا أَبِي بَكْرٍ الصِّدِّيقِ، وَسَيِّدِنَا عُمَرَ بْنِ الخَطَّابِ، وَسَيِّدِنَا عُثْمَانَ بْنِ عَفَّانَ، وَسَيِّدِنَا عَلِيٍّ كَرَّمَ اللَّهُ وَجْهَهُ.
وَعَنْ سَيِّدَتِنَا فَاطِمَةَ الزَّهْرَاءِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا،
وَعَنِ الحَسَنِ وَالحُسَيْنِ، وَعَنْ أَهْلِ بَيْتِهِ الطَّاهِرِينَ، وَعَنْ جَمِيعِ الصَّحَابَةِ وَالأَوْلِيَاءِ الصَّالِحِينَ. اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِلْمُؤْمِنِينَ وَالمُؤْمِنَاتِ، وَالمُسْلِمِينَ وَالمُسْلِمَاتِ، الأَحْيَاءِ مِنْهُمْ وَالأَمْوَاتِ.اللَّهُمَّ طَهِّرْ قُلُوبَنَا مِنَ النِّفَاقِ، وَأَعْمَالَنَا مِنَ الرِّيَاءِ، وَأَلْسِنَتَنَا مِنَ الكَذِبِ.اللَّهُمَّ احْفَظْ بِلَادَ بَنْغَلَادِيشَ وَسَائِرَ بِلَادِ المُسْلِمِينَ، وَاجْعَلْهَا آمِنَةً مُطْمَئِنَّةً.
اللَّهُمَّ أَصْلِحْ أُمُورَنَا وَأُمُورَ العَالَمِ، وَارْفَعِ الفِتَنَ وَالمِحَنَ، وَانْشُرِ الرَّحْمَةَ وَالسَّلَامَ فِي الأَرْضِ.
﴿إِنَّ اللَّهَ يَأْمُرُ بِالعَدْلِ وَالإِحْسَانِ وَإِيتَاءِ ذِي القُرْبَىٰ، وَيَنْهَىٰ عَنِ الفَحْشَاءِ وَالمُنْكَرِ وَالبَغْيِ، يَعِظُكُمْ لَعَلَّكُمْ تَذَكَّرُونَ﴾فَاذْكُرُوا اللَّهَ العَظِيمَ يَذْكُرْكُمْ، وَاشْكُرُوهُ عَلَىٰ نِعَمِهِ يَزِدْكُمْ، وَلَذِكْرُ اللَّهِ أَكْبَرُ، وَاللَّهُ يَعْلَمُ مَا تَصْنَعُونَ.
هَيَّا نُقِيمُ الصَّلَاةَ جَمِيعًا অনুবাদপ্রথম খুতবার
সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি নামাজকে বান্দা ও তার রবের মাঝে সংযোগ বানিয়েছেন এবং এর মধ্যে অন্তরের প্রশান্তি ও আত্মার আরাম রেখেছেন। দরূদ ও সালাম বর্ষিত হোক আমাদের প্রিয় নবী মুহাম্মদ ﷺ-এর উপর, যিনি বলেছেন: “হে বিলাল! এর মাধ্যমে আমাদেরকে প্রশান্তি দাও।” অতঃপর—
হে আল্লাহর বান্দাগণ! নিশ্চয়ই নামাজের অন্যতম বড় রহস্য হলো—এর মধ্যে অন্তরের উপস্থিতি (হুযূরী ক্বালব)। কারণ নামাজ শুধু কিছু নড়াচড়া ও স্থিরতার নাম নয়; বরং এটি আল্লাহ তাআলার সামনে দাঁড়িয়ে খুশু, বিনয় ও আন্তরিক মনোযোগসহ ইবাদত করা। যখন অন্তর অনুপস্থিত থাকে, তখন নামাজ দুর্বল হয়ে যায় এবং তার রূহ ও আসল অর্থ হারিয়ে ফেলে।
হুযূরী ক্বালব হলো—বান্দা তার অন্তর ও অঙ্গ-প্রত্যঙ্গকে একত্রে আল্লাহর আনুগত্যে নিয়োজিত রাখা; সে দুনিয়ার দিকে মনোযোগ না দেয়, অন্য কোনো বিষয়ে ব্যস্ত না হয়, বরং আল্লাহর মহিমা অন্তরে উপস্থিত রেখে নামাজের প্রতিটি রুকনে তাঁকে স্মরণ করে। যখন সে কিরাত করে, তখন চিন্তা করে; যখন রুকু করে, তখন বিনয়ী হয়; যখন সিজদা করে, তখন অন্তর দিয়ে আল্লাহর নিকটবর্তী হয়।
প্রাচীন নেককারগণ বলেছেন:
“হুযূরী ক্বালব ছাড়া নামাজ হলো প্রাণহীন দেহের মতো।”
এতে বোঝা যায়, নামাজের প্রকৃত সৌন্দর্য ও পূর্ণতা তখনই আসে, যখন এতে অন্তরের উপস্থিতি থাকে।
অতএব, হে আল্লাহর বান্দাগণ! তোমরা তোমাদের অন্তরকে সংশোধন করো, নামাজের সময় দুনিয়ার চিন্তা থেকে তা মুক্ত রাখো এবং আল্লাহর সামনে দাঁড়ানোর অনুভূতি জাগ্রত করো। নিশ্চয়ই যার অন্তর বিনয়ী হয়, তার নামাজ শুদ্ধ হয়; আর যার নামাজ শুদ্ধ হয়, তার পুরো জীবনই সংশোধিত হয়ে যায়।
উপসংহার
অতএব, তোমরা নামাজ কায়েম করো অন্তরের উপস্থিতি ও অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের খুশুসহ; তাহলে তোমরা আল্লাহর নৈকট্য ও সন্তুষ্টি লাভ করবে এবং দুনিয়া ও আখিরাতে সফলতা অর্জন করবে।
আপনার মতামত লিখুন :