═══ ❖ ═══ ❖ خُطْبَةُ الْجُمُعَة(22) ❖═ জুম্মার নামাজের 22 নং খুতবার প্রথমখুতবা ═══ ❖ ═══ ❖ خُطْبَةُ الأَدَبِ فِي ضَوْءِ التَّصَوُّفِ وَالمَعْرِفَة السَّالِكِينَ — “মারেফাতের নূর ও সালিকদের আদব


admin77 প্রকাশের সময় : এপ্রিল ২০, ২০২৬, ৫:৪৩ পূর্বাহ্ন / ০
═══ ❖ ═══ ❖ خُطْبَةُ الْجُمُعَة(22) ❖═ জুম্মার নামাজের 22 নং খুতবার  প্রথমখুতবা    ═══ ❖ ═══ ❖      خُطْبَةُ الأَدَبِ فِي ضَوْءِ التَّصَوُّفِ وَالمَعْرِفَة السَّالِكِينَ — “মারেফাতের নূর ও সালিকদের আদব
১৫৪

═══ ❖ ═══ ❖ خُطْبَةُ الْجُمُعَة(22) ❖═ জুম্মার নামাজের 22 নং খুতবার প্রথমখুতবা ═══ ❖ ═══ ❖ خُطْبَةُ الأَدَبِ فِي ضَوْءِ التَّصَوُّفِ وَالمَعْرِفَة السَّالِكِينَ — “মারেফাতের নূর ও সালিকদের আদব

الحمدُ للهِ الذي جعلَ الأدبَ مفتاحَ القُربِ، ونورَ القلوبِ، وسرَّ الوصولِ إلى حضرةِ الغيوبِ، وجعلَ حسنَ الأدبِ دليلاً على صدقِ الإيمانِ ورفعةِ الإحسانِ. نحمدُه سبحانه حمدًا يليقُ بجلالِ وجهه وعظيمِ سلطانِه، ونستعينُه ونستغفرُه، ونسأله التوفيقَ في القولِ والعملِ.
وأشهدُ أن لا إله إلا الله وحده لا شريك له، شهادةً تُطهِّرُ القلوبَ من شوائبِ الشركِ والرياءِ، وتملأُ الأرواحَ بنورِ التوحيدِ والصفاءِ. وأشهدُ أن سيدَنا محمدًا عبدُهُ ورسولُه، الذي أدّبه ربُّه فأحسنَ تأديبَه، وزكّاهُ فقال: ﴿وَإِنَّكَ لَعَلَىٰ خُلُقٍ عَظِيمٍ﴾.
اللهم صلِّ وسلم وبارك على سيدنا محمدٍ، وعلى آله وصحبه والأولياءِ الصالحين أَجْمَعِينَ. الذين تخلّقوا بأخلاقه، وتأدّبوا بآدابه، وساروا على نهجه في السرِّ والعلنِ.
أما بعد:
فيا عبادَ الله، أوصيكم ونفسي بتقوى الله، فإن التقوى زادُ السائرين، ونورُ الطالبين، ومفتاحُ الوصولِ إلى ربِّ العالمين.
اعلموا رحمكم الله أن الأدبَ ليس مجردَ هيئةٍ ظاهرةٍ أو كلماتٍ منمّقةٍ، بل هو حالٌ قلبيٌّ، وسرٌّ ربانيٌّ، يزرعه الله في قلوبِ عباده الصادقين. فالأدبُ مع الله أن ترى نفسك عبدًا فقيرًا، وترى ربك غنيًّا حميدًا، وأن تكون في حضرته بقلبٍ منكسرٍ وخضوعٍ كاملٍ.
قال أهلُ التصوف:
“الأدبُ روحُ الطريق، ومن لا أدبَ له لا طريقَ له.”
وقال الشيخ عبد القادر الجيلاني رحمه الله:
“كن مع الله بلا نفسٍ، تكن مع الله بلا حجابٍ.”
فمن فني عن نفسه في حضرة ربه، بقي بالأدب قائمًا، ومن بقي مع نفسه حُجب عن نور المعرفة.
وقال الإمام الجنيد البغدادي رحمه الله:
“طريقنا هذا مقيدٌ بالكتاب والسنة، ومبنيٌّ على الأدب.”
أيها المؤمنون، إن الأدب مع الله يورث المراقبة، ومن تحقق بالمراقبة استقامت جوارحه، واطمأن قلبه، وذاب كِبره، وانكسرت أنانيته.
ثم اعلموا أن الأدب مع رسول الله ﷺ بابٌ من أبواب الأدب مع الله، فمن لم يعظِّم الرسول ﷺ لم يذق حقيقة المحبة.
قال الله تعالى:
﴿لِتُؤْمِنُوا بِاللَّهِ وَرَسُولِهِ وَتُعَزِّرُوهُ وَتُوَقِّرُوهُ﴾.
وكان الصحابةُ رضي الله عنهم أصدقَ الناس في هذا الباب؛ فكان أبو بكرٍ الصديق رضي الله عنه إذا تكلم عند النبي ﷺ كأنه يخشى أن يخطئ الأدب، وكان عمر بن الخطاب رضي الله عنه يخفض صوته حتى يُظن أنه يناجي نفسه، وكان عثمان بن عفان رضي الله عنه مثال الحياء، وكان علي بن أبي طالب رضي الله عنه بابًا من أبواب العلم والحكمة مقرونًا بالأدب.
قال أهل المعرفة:
“من صحّ أدبه مع الله فتح الله له أبواب المعرفة.”
وقالوا:
“الأدب هو الوقوف مع الحق بلا التفات إلى النفس.”
فيا سالكي طريق الله، طهّروا قلوبكم من الكبر، وزيّنوا أرواحكم بالتواضع، وامشوا إلى الله بصدقٍ وإخلاصٍ، فإن الطريق إلى الله لا يُنال بالجدل، بل يُنال بالأدب والانكسار.
اللهم اجعلنا من أهل الأدب معك، ومع رسولك ﷺ، ومع أوليائك الصالحين، وارزقنا نور المعرفة وصفاء القلوب.
أقول قولي هذا، وأستغفر الله لي ولكم، فاستغفروه إنه هو الغفور الرحيم .═════ ❖ ❖ ═══ ❖الخُطْبَةُ الثَّانِيَةُ ❖ ═══❖ নামাজের সানী খুতবা
الحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ العَالَمِينَ، نَحْمَدُهُ وَنَسْتَعِينُهُ وَنَسْتَغْفِرُهُ، وَنَعُوذُ بِاللَّهِ مِنْ شُرُورِ أَنْفُسِنَا وَسَيِّئَاتِ أَعْمَالِنَا، مَنْ يَهْدِهِ اللَّهُ فَلَا مُضِلَّ لَهُ، وَمَنْ يُضْلِلْ فَلَا هَادِيَ لَهُ.
وَأَشْهَدُ أَنْ لَا إِلٰهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، وَأَشْهَدُ أَنَّ سَيِّدَنَا مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ.اللَّهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ وَبَارِكْ عَلَىٰ سَيِّدِنَا مُحَمَّدٍ، وَعَلَىٰ آلِهِ وَصَحْبِهِ والأولياءِ الصالحين أَجْمَعِينَ.أَمَّا بَعْدُ:
فَيَا عِبَادَ اللَّهِ، أُوصِيكُمْ وَنَفْسِي بِتَقْوَى اللَّهِ.
اللَّهُمَّ إِنِّي أُجَدِّدُ الإِيمَانَ وَالإِسْلَامَ، وَأَتُوبُ إِلَيْكَ تَوْبَةً نَصُوحًا مِنْ جَمِيعِ الذُّنُوبِ وَالآثَامِ.
أَتُوبُ إِلَى اللَّهِ جَلَّ جَلَالُهُ تَوْبَةً نَصُوحًا، مِنْ جَمِيعِ الذُّنُوبِ وَالكَبَائِرِ وَالصَّغَائِرِ، وَمِنَ الشِّرْكِ ظَاهِرِهِ وَبَاطِنِهِ، مَعْلُومِهِ وَمَجْهُولِهِ.رَضِيتُ بِاللَّهِ رَبًّا، وَبِالإِسْلَامِ دِينًا، وَبِمُحَمَّدٍ ﷺ نَبِيًّا وَرَسُولًا.لَا إِلٰهَ إِلَّا اللَّهُ، مُحَمَّدٌ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ.
أَكْثِرُوا مِنَ الصَّلَاةِ وَالسَّلَامِ عَلَى النَّبِيِّ ﷺ، قَالَ اللَّهُ تَعَالَىٰ:﴿إِنَّ اللَّهَ وَمَلَائِكَتَهُ يُصَلُّونَ عَلَى النَّبِيِّ ۚ يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا صَلُّوا عَلَيْهِ وَسَلِّمُوا تَسْلِيمًا﴾
اللَّهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ وَبَارِكْ عَلَىٰ سَيِّدِنَا مُحَمَّدٍ ﷺ، النُّورِ المُبِينِ، وَالرَّحْمَةِ المُهْدَاةِ، الَّذِي بَلَّغَ الرِّسَالَةَ وَأَدَّى الأَمَانَةَ وَنَصَحَ الأُمَّةَ.اللَّهُمَّ ارْضَ عَنِ الخُلَفَاءِ الرَّاشِدِينَ:
سَيِّدِنَا أَبِي بَكْرٍ الصِّدِّيقِ، وَسَيِّدِنَا عُمَرَ بْنِ الخَطَّابِ، وَسَيِّدِنَا عُثْمَانَ بْنِ عَفَّانَ، وَسَيِّدِنَا عَلِيٍّ كَرَّمَ اللَّهُ وَجْهَهُ.
وَعَنْ سَيِّدَتِنَا فَاطِمَةَ الزَّهْرَاءِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا،
وَعَنِ الحَسَنِ وَالحُسَيْنِ، وَعَنْ أَهْلِ بَيْتِهِ الطَّاهِرِينَ، وَعَنْ جَمِيعِ الصَّحَابَةِ وَالأَوْلِيَاءِ الصَّالِحِينَ. اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِلْمُؤْمِنِينَ وَالمُؤْمِنَاتِ، وَالمُسْلِمِينَ وَالمُسْلِمَاتِ، الأَحْيَاءِ مِنْهُمْ وَالأَمْوَاتِ.اللَّهُمَّ طَهِّرْ قُلُوبَنَا مِنَ النِّفَاقِ، وَأَعْمَالَنَا مِنَ الرِّيَاءِ، وَأَلْسِنَتَنَا مِنَ الكَذِبِ.اللَّهُمَّ احْفَظْ بِلَادَ بَنْغَلَادِيشَ وَسَائِرَ بِلَادِ المُسْلِمِينَ، وَاجْعَلْهَا آمِنَةً مُطْمَئِنَّةً.
اللَّهُمَّ أَصْلِحْ أُمُورَنَا وَأُمُورَ العَالَمِ، وَارْفَعِ الفِتَنَ وَالمِحَنَ، وَانْشُرِ الرَّحْمَةَ وَالسَّلَامَ فِي الأَرْضِ.
﴿إِنَّ اللَّهَ يَأْمُرُ بِالعَدْلِ وَالإِحْسَانِ وَإِيتَاءِ ذِي القُرْبَىٰ، وَيَنْهَىٰ عَنِ الفَحْشَاءِ وَالمُنْكَرِ وَالبَغْيِ، يَعِظُكُمْ لَعَلَّكُمْ تَذَكَّرُونَ﴾فَاذْكُرُوا اللَّهَ العَظِيمَ يَذْكُرْكُمْ، وَاشْكُرُوهُ عَلَىٰ نِعَمِهِ يَزِدْكُمْ، وَلَذِكْرُ اللَّهِ أَكْبَرُ، وَاللَّهُ يَعْلَمُ مَا تَصْنَعُونَ.
هَيَّا نُقِيمُ الصَّلَاةَ جَمِيعًا ২২ নং খুতবার– বাংলা অনুবাদ :
🕌 প্রথম খুতবা — “তাসাউফ ও মারেফাতের আলোকে আদব”
সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি আদবকে নৈকট্যের চাবিকাঠি, হৃদয়ের আলো এবং অদৃশ্যের দরবারে পৌঁছানোর রহস্য বানিয়েছেন। তিনি সুন্দর আদবকে সত্যিকারের ঈমানের প্রমাণ এবং ইহসানের মর্যাদার উঁচু স্তরের নিদর্শন করেছেন।
আমরা তাঁর প্রশংসা করি তাঁর মহিমা ও মহান ক্ষমতার উপযোগীভাবে। আমরা তাঁর সাহায্য চাই, তাঁর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করি এবং কথা ও কাজে সাফল্য কামনা করি।
আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরিক নেই—এমন সাক্ষ্য যা হৃদয়কে শিরক ও রিয়া (প্রদর্শন) থেকে পবিত্র করে এবং আত্মাকে তাওহীদ ও পবিত্রতার নূরে পূর্ণ করে।
আর আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আমাদের নেতা হযরত মুহাম্মদ ﷺ তাঁর বান্দা ও রাসূল, যাকে তাঁর রব উত্তমভাবে আদব শিক্ষা দিয়েছেন এবং তাঁর সম্পর্কে বলেছেন:
﴿নিশ্চয়ই আপনি মহান চরিত্রের অধিকারী﴾
হে আল্লাহ! আপনি দুরুদ, সালাম ও বরকত বর্ষণ করুন আমাদের নেতা মুহাম্মদ ﷺ-এর উপর, তাঁর পরিবার ও সাহাবাদের উপর—যারা তাঁর চরিত্র গ্রহণ করেছেন, তাঁর আদব অনুসরণ করেছেন এবং গোপনে ও প্রকাশ্যে তাঁর পথে চলেছেন।
অতঃপর:
হে আল্লাহর বান্দারা! আমি আপনাদের ও নিজের প্রতি আল্লাহভীতির উপদেশ দিচ্ছি। কারণ তাকওয়া হলো পথিকদের পাথেয়, অনুসন্ধানকারীদের আলো এবং রবুল আলামিনের কাছে পৌঁছানোর চাবিকাঠি।
জেনে রাখুন—আল্লাহ আপনাদের প্রতি রহম করুন—আদব কেবল বাহ্যিক রূপ বা অলংকৃত কথাবার্তা নয়; বরং এটি একটি অন্তরের অবস্থা এবং এক রাব্বানী রহস্য, যা আল্লাহ তাঁর সত্যবাদী বান্দাদের হৃদয়ে দান করেন।
আল্লাহর সাথে আদব হলো—নিজেকে তুমি এক দরিদ্র ও দুর্বল বান্দা হিসেবে দেখবে এবং তোমার রবকে দেখবে সম্পূর্ণ অমুখাপেক্ষী ও প্রশংসিত সত্তা হিসেবে। আর তাঁর দরবারে তুমি থাকবে ভাঙা হৃদয়, বিনয় ও পূর্ণ আত্মসমর্পণের সাথে।
আহলে তাসাউফ বলেন:
“আদব হলো পথের আত্মা; যার আদব নেই, তার কোনো পথ নেই।”
শায়খ আবদুল কাদের জিলানি (রহ.) বলেন:
“তুমি আল্লাহর সাথে নিজের নফস ছাড়াই থাকো, তাহলে তুমি পর্দাহীনভাবে আল্লাহর সাথে থাকবে।”
অতএব যে ব্যক্তি তার নফস থেকে আল্লাহর দরবারে বিলীন হয়ে যায়, সে আদবের অবস্থায় স্থির থাকে; আর যে নফসের সাথে থাকে, সে মারেফাতের নূর থেকে পর্দাবৃত হয়ে যায়।
ইমাম জুনাইদ বাগদাদি (রহ.) বলেন:
“আমাদের এই পথ কিতাব ও সুন্নাহ দ্বারা সীমাবদ্ধ এবং আদবের উপর প্রতিষ্ঠিত।”
হে মুমিনগণ! নিশ্চয়ই আল্লাহর সাথে আদব মানুষকে মুরাকাবার দিকে নিয়ে যায়। আর যে ব্যক্তি মুরাকাবায় পৌঁছে যায়, তার অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সোজা হয়ে যায়, হৃদয় প্রশান্ত হয়, অহংকার বিলীন হয়ে যায় এবং আত্মকেন্দ্রিকতা ভেঙে পড়ে।
তারপর জেনে রাখুন—রাসূল ﷺ-এর সাথে আদব হলো আল্লাহর সাথে আদবের একটি দরজা। যে রাসূল ﷺ-কে সম্মান করে না, সে প্রকৃত ভালোবাসার স্বাদ পায় না।
আল্লাহ তাআলা বলেন:
﴿তোমরা যেন আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের প্রতি ঈমান আনো, তাঁকে সাহায্য করো এবং তাঁকে সম্মান করো﴾
সাহাবায়ে কেরাম (রাঃ) এই বিষয়ে সর্বাধিক সত্যবাদী ছিলেন। আবু বকর সিদ্দীক (রাঃ) নবী ﷺ-এর সামনে এমনভাবে কথা বলতেন যেন তিনি ভুল আদবের ভয় করছেন। উমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) এত নিচু স্বরে কথা বলতেন যে মনে হতো তিনি নিজের সাথে কথা বলছেন। উসমান ইবন আফফান (রাঃ) ছিলেন লজ্জার অনন্য উদাহরণ। আর আলী ইবন আবি তালিব (রাঃ) ছিলেন জ্ঞান ও হিকমতের দরজা, যা আদবের সাথে সংযুক্ত ছিল।
আহলে মারেফাত বলেন:
“যার আল্লাহর সাথে আদব সঠিক হয়, আল্লাহ তার জন্য মারেফাতের দরজা খুলে দেন।”
তারা আরও বলেন:
“আদব হলো সত্যের সাথে দাঁড়িয়ে থাকা, নিজের নফসের দিকে না তাকিয়ে।”
হে আল্লাহর পথে চলা সালিকেরা! তোমরা তোমাদের হৃদয়কে অহংকার থেকে পবিত্র করো, আত্মাকে বিনয় দ্বারা অলংকৃত করো, এবং সত্য ও ইখলাসের সাথে আল্লাহর পথে চলো। কারণ আল্লাহর পথে পৌঁছানো তর্ক-বিতর্কের মাধ্যমে নয়, বরং আদব ও ভগ্ন হৃদয়ের মাধ্যমে অর্জিত হয়।
হে আল্লাহ! আমাদেরকে আপনার সাথে, আপনার রাসূল ﷺ-এর সাথে এবং আপনার নেক বান্দাদের সাথে আদব সম্পন্ন বান্দা হিসেবে কবুল করুন এবং আমাদেরকে মারেফাতের নূর ও অন্তরের পবিত্রতা দান করুন।
আমি যা বলেছি তা বললাম, এবং আল্লাহর কাছে আমার ও আপনাদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করছি। অতএব আমরা আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই—নিশ্চয়ই আল্লাহ চির ক্ষমাশীল, চির দয়ালু। .

তরিকা বিভাগের আরো খবর

আরও খবর