الحمدُ للهِ الَّذي خَلَقَ الإِنسانَ في أَحسَنِ تَقويمٍ،وَجَعَلَ لَهُ عَقلاً وَذِهناً وَقُدرَةً لا تُقارَنُ بِشَيءٍ مِن مَخلوقاتِهِ. .وَالصَّلٰوةُ وَالسَّلَامُ مُعَطَّرَةًوعلى سَيِّدِنَا مُحَمَّدٍ النُّوْرِ الْمُجَسَّمِ، وَالْقُدْوَةِ الْأَعْظَمِ، رَحْمَةً لِّلْعَالَمِينَ وَعَلٰى آلِهِ وَصَحْبِهِ أَجْمَعِينَ، সু বাসিত দুরুদ ও সালাম বর্ষিতহোক সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ আমাদের প্রিয় মুহাম্মাদ ﷺ যিনির জিসিম মোবারকে সুপ্রকাশিত নুর এবং , সর্বশ্রেষ্ঠ আদর্শ জগত সমুহের জন্য রহমতের উৎস। সকল আহলে বাইত ও সাহাবায়ে কেরামদের উপর ।
في شبه القارة الهندية كان من كبار أولياء الله والعلماء الربانيين تاجدار الشريعة، رهنماي طريقت، بحر العلوم، قطب العالم حضرة العلامة سيد حسن علي رحمه الله، وهو من سكان غيلاتلا.
উপমহাদেশে ছিলেন মহান আলেম ও অলীয়ে কামেলদের একজন, শিরোকার ছিলেন: তাজেদারে শরিয়ত, রাহনুমায়ে তরিকত, বাহারুল উলূম, কুতুবুল আলম, হযরত আল্লামা ছৈয়দ হাছান আলী (রহ.)। তিনি ছিলেন ঘিলাতলা নিবাসী।
أُسِّسَتْ الْمَسْجِدُ الْمَرْكَزِيُّ سنكو سايل التَّقْلِيدِيُّ وقد أسس رحمه الله سنة 1875م منظمة دينية باسم جمعية أهل السنة كميتي تريبورا وذلك لنشر عقيدة أهل السنة والجماعة، وتعليم العلوم الإسلامية، وخدمة الدين الحنيف.
ঐতিহ্য বাহি শংকুচাইল কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে তিনি ১৮৭৫ খ্রিস্টাব্দে একটি দ্বীনি সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন, যার নাম ছিল “জমিয়তে আহলুস সুন্নাহ কমিটি, ত্রিপুরা”। সংগঠনটি প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য ছিল— আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামাআতের আকীদা প্রচার, ইসলামী শাস্ত্র শিক্ষা প্রদান এবং ধর্মীয় কল্যাণমূলক কাজ করা।
وقد انتشرت هذه الجمعية بسرعة في مختلف المناطق، وانضم إليها العلماء والمشايخ وعامة المسلمين، حتى بلغ عدد أعضائها سنة 1945م أكثر من خمسة وخمسين ألف عضو.
সংগঠনটি দ্রুত বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে, এবং এতে যোগদান করেন আলেম, মাশায়েখ এবং সাধারণ মুসলমান। ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দে এর সদস্য সংখ্যা প্রায় ৫৫,০০০ এর বেশি ছিল।
لكن بعد وصال الشريف لمؤسسها حضرة السيد حسن علي رحمه الله سنة 1945م ضعفت أنشطة الجمعية تدريجياً حتى أصبحت شبه متوقفة.
কিন্তু ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠাতা হযরত ছৈয়দ হাছান আলী (রহ.)-এর ইন্তেকালের পর সংগঠনের কার্যক্রম ধীরে ধীরে হ্রাস পেতে থাকে এবং প্রায় সম্পূর্ণভাবে স্থগিত হয়ে যায়।
وبعد مرور سنوات طويلة، وفي سنة 2015م أمر المرشد الحق رهنماي طريقت حضرة مولانا السيد نعمان الحسن القادري الجشتي رحمه الله بإحياء هذه الجمعية التاريخية من جديد.
বহু বছর পর, ২০১৫ খ্রিস্টাব্দে মরশিদে বরহক, রাহনুমায়ে তরিকত হযরত মাওলানা ছৈয়দ নোমান আল হাছানী কাদরী চিশতী (রহ.) এই ঐতিহাসিক সংগঠন পুনর্জাগরণের নির্দেশ দেন।
فتم تكليف حضرة بير مفتي سيد أبو بكر صديقي نعماني الحسني القادري الجشتي مد ظله العالي بإعادة تنظيم هذه الجمعية.
এ অনুযায়ী, হযরত পীর মুফতী ছৈয়দ আবুবকর সিদ্দিকী নোমানী আল হাছানী কাদরী চিশতী মাঃজিঃআঃ-কে সংগঠনটি পুনর্গঠনের দায়িত্ব দেওয়া হয়।
وبإشراف أنجمن حسنية داربار شريف – أترغرام أعيد تأسيس المنظمة باسم أنجمن جمعية أهل السنة كميتي بنغلاديش
উত্তরগ্রাম আঞ্জুমানে হাসানীয়া দরবার শরীফের তত্ত্বাবধানে সংগঠনটি পুনরায় প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর নতুন নাম হয়— “আঞ্জুমান জমিয়তে আহলুস সুন্নাহ কমিটি বাংলাদেশ”।
ولتنشيط الدعوة وتنظيم الشباب والطلاب تم تأسيس:
أنجمن جمعية أهل السنة شباب قافلة بنغلاديش
أنجمن جمعية أهل السنة طلاب قافلة بنغلاديش
দাওয়াতি কার্যক্রম সক্রিয় করার এবং যুবক ও ছাত্রদের সংগঠিত করার জন্য গঠন করা হয়—
আঞ্জুমানে জমিয়তে আহলুস সুন্নাহ যুব কাফেলা বাংলাদেশ
আঞ্জুমানে জমিয়তে আহলুস সুন্নাহ ছাত্র কাফেলা বাংলাদেশ
وما زالت هذه الجمعية تقوم بنشر عقيدة أهل السنة والجماعة وخدمة الإسلام والمسلمين.
এখনও এই সংগঠন আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামাআতের আকীদা প্রচার এবং ইসলাম ও মুসলিম সমাজের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে।
২. সংগঠনের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য (দফা)
আঞ্জুমানে জমিয়তে আহলুস সুন্নাহ কমিটি বাংলাদেশ
সংগঠনের প্রধান লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যসমূহ—
১। কোরআন ও সুন্নাহর আলোকে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের বিশুদ্ধ আকীদা প্রচার করা।
২। সমাজে দ্বীনি শিক্ষা ও ইসলামী সংস্কৃতি বিস্তার করা।
৩। মসজিদ, মাদরাসা ও খানকাহ কেন্দ্রিক ধর্মীয় শিক্ষা কার্যক্রম জোরদার করা।
৪। তাসাউফ ও তরীকতের সঠিক শিক্ষা প্রচার করা।
৫। যুবসমাজকে ইসলামী আদর্শে গড়ে তোলা।
৬। ছাত্রসমাজের মধ্যে দ্বীনি জ্ঞান ও নৈতিক শিক্ষা বিস্তার করা।
৭। মিলাদ, মাহফিল, ওয়াজ-নসীহত ও তালিমি জলসার মাধ্যমে দাওয়াতি কাজ পরিচালনা করা।
৮। সমাজে ভ্রান্ত আকীদা ও কুসংস্কারের বিরুদ্ধে সচেতনতা সৃষ্টি করা।
৯। দরিদ্র ও অসহায় মানুষের সহায়তায় সামাজিক কল্যাণমূলক কাজ করা।
১০। মুসলিম সমাজে ঐক্য, ভ্রাতৃত্ব ও নৈতিকতা প্রতিষ্ঠা করা।১১!. যুব ও ছাত্র কাফেলা সম্প্রসারণ
যুব কাফেলা: দেশজুড়ে নতুন শাখা গঠন
ছাত্র কাফেলা: মাদরাসা ও স্কুল পর্যায়ে শিক্ষা কার্যক্রম সম্প্রসারণ
সামাজিক ও আধ্যাত্মিক দক্ষতা বৃদ্ধি
নেতৃত্ব বিকাশ ও দাওয়াতি প্রশিক্ষণ
১২!. সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রম
গরীব ও দুঃস্থদের জন্য খাদ্য, শিক্ষা ও চিকিৎসা সহায়তা
সমাজে নৈতিক ও আধ্যাত্মিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা
স্বাস্থ্য সচেতনতা, পরিবেশ শিক্ষা ও মানবিক কার্যক্রমের সঙ্গে সংযোগ
১৩! আধ্যাত্মিক ও তরিকত উন্নয়ন
নিয়মিত তরিকত মজলিস ও আধ্যাত্মিক মিলনমেলা
পীর-মুরীদ সম্পর্ক শক্তিশালী করা
ধর্মীয় সচেতনতা ও আধ্যাত্মিক উন্নয়নের জন্য নতুন প্রজন্মকে প্রশিক্ষণ দেওয়া
আধ্যাত্মিক চেতনা বজায় রেখে সমাজে কল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা
১৪! ভবিষ্যৎ কাঠামো
কেন্দ্রীয় কমিটি: নীতি, দাওয়াত ও অর্থ সংক্রান্ত তত্ত্বাবধান
জেলা ও আঞ্চলিক কমিটি: স্থানীয় কার্যক্রম তত্ত্বাবধান
যুব ও ছাত্র কাফেলা: নতুন প্রজন্মের দ্বীনি ও আধ্যাত্মিক উন্নয়ন
বিশেষ কমিটি: শিক্ষা, মানবিক ও গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা
এই কাঠামোর মাধ্যমে সংগঠন দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সুসংগঠিত ও কার্যকরী দাওয়াতি আন্দোলন চালিয়ে যাবে।
উপসংহার
আঞ্জুমানে জমিয়তে আহলুস সুন্নাহ কমিটি বাংলাদেশ ভবিষ্যতের জন্য সুস্পষ্ট লক্ষ্য স্থির করেছে—
মুসলিম সমাজে আধ্যাত্মিক ও নৈতিক উন্নয়ন
নতুন প্রজন্মের মধ্যে দ্বীনের চেতনা ও দায়িত্ববোধ বৃদ্ধি
সমাজে সংগঠিত, শান্তিপূর্ণ ও ঐক্যবদ্ধ মুসলিম সমাজ প্রতিষ্ঠা
এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য সংগঠন যুগোপযোগী কাঠামো, আধুনিক দাওয়াতি ও শিক্ষামূলক কার্যক্রম, যুব ও ছাত্র শাখা এবং সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রম চালিয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ ।
এভাবেই ঘিলাতলা নিবাসী উপ মহাদেশের প্রখ্যাত অলীয়ে কামেল তাজেদারে শরিয়ত রাহনুমায়ে তরিকতবাহারুল উলুম কুতুবুল আলম ছৈয়দ হাছান আলী কাদরী চিশতি হুজুর কেবলা’ (রহ.)-এর ১৮৭৫ খ্রিস্টাব্দের প্রতিষ্ঠিত ঐতিহ্য এবং মোরশেদে বরহক হযরত মাওলানা ছৈয়দ নোমান আল হাছানী কাদরী চিশতী (রহ.)-এর নির্দেশিত পুনর্জাগরণ একসাথে কাজ করবে, যাতে উপমহাদেশের মুসলিম সমাজে দাওয়াত ও আধ্যাত্মিক কর্মধারা সুসংহত ও শক্তিশালী থাকে।
অনলাইন পত্রিকা: ইসলামী চেতনা ও নৈতিক শিক্ষার আলো
দৈনিক নূরের ঝলক হলো আঞ্জুমানে জমিয়তে আহলুস সুন্নাহ কমিটি বাংলাদেশ-এর একটি অনলাইন পত্রিকা, যা নতুন প্রজন্মের মধ্যে দ্বীনি চেতনা, নৈতিক মূল্যবোধ এবং আধ্যাত্মিক সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে তৈরি করা।প্রতিষ্ঠা কাল : ১৮৭৫খ্রিস্টাব্দ
২. সদস্য ভর্তি ফরম
আঞ্জুমানে জমিয়তে আহলুস সুন্নাহ কমিটি বাংলাদেশ
সদস্য নিবন্ধন ফরম
১। নাম : ……………………………………….
২। পিতার নাম : ……………………………….
৩। মাতার নাম : ………………………………
৪। জন্ম তারিখ : ………………………………
৫। জাতীয় পরিচয়পত্র নং : ……………………
৬। মোবাইল নাম্বার : …………………………..
৭। ঠিকানা :
গ্রাম : …………………………
ডাকঘর : ……………………….
উপজেলা : ……………………..
জেলা : …………………………
৮। পেশা : ……………………………………
৯। শিক্ষাগত যোগ্যতা : ……………………….
১০। আপনি কোন শাখায় সদস্য হতে চান:
☐ সাধারণ সদস্য
☐ যুব কাফেলা
☐ ছাত্র কাফেলা
১১। ছবি (পাসপোর্ট সাইজ)
সদস্যের অঙ্গীকার
আমি অঙ্গীকার করছি যে আমি
আঞ্জুমানে জমিয়তে আহলুস সুন্নাহ কমিটি বাংলাদেশ
এর নিয়মনীতি মেনে চলবো এবং আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের আকীদা প্রচারে কাজ করবো।
স্বাক্ষর : ___________________
তারিখ : ___________________ হয়েছে।
উদ্দেশ্য
★পত্রিকার মূল উদ্দেশ্যগুলো হলো—
মুসলিম সমাজে আধ্যাত্মিক ও নৈতিক উন্নয়ন
নতুন প্রজন্মকে দ্বীনের প্রতি দায়িত্ববোধসম্পন্ন করা
সমাজে শান্তি, ঐক্য ও সহমর্মিতা প্রতিষ্ঠা করা
সংগঠনের দাওয়াতি ও শিক্ষামূলক কার্যক্রমকে সম্প্রসারণ করা
বিষয়বস্তু
পত্রিকায় নিয়মিত প্রকাশিত হয়—
ইসলামী শিক্ষা ও তরিকত বিষয়ক প্রবন্ধ
কোরআন ও হাদিস ভিত্তিক নৈতিক শিক্ষা
যুব ও ছাত্র কাফেলা সংক্রান্ত খবর ও কার্যক্রম
আঞ্চলিক ও কেন্দ্রীয় কমিটির কার্যক্রম ও বিশেষ উদ্যোগ
সামাজিক ও মানবিক উন্নয়নমূলক সংবাদ
ওয়াজ, মিলাদ, দাওয়াতি সফর ও আধ্যাত্মিক মজলিসের তথ্য
বিশেষ বৈশিষ্ট্য
সরাসরি সম্প্রচার: দেশের প্রতিটি অঞ্চলে পত্রিকার খবর পৌঁছে দেওয়া
নতুন প্রজন্মের জন্য ডিজিটাল সুবিধা: মোবাইল ও কম্পিউটার মাধ্যমে সহজে পড়া যায়
দ্বীনি ও আধ্যাত্মিক শিক্ষার কেন্দ্র: শিক্ষার্থীদের ও যুবকদের জন্য বিশেষ লেখা ও প্রবন্ধ
সমাজ সচেতনতা বৃদ্ধি: মানবিক ও সামাজিক উদ্যোগের খবর এবং নির্দেশনা
উপসংহার
“দৈনিক নূরের ঝলক” পত্রিকা আঞ্জুমানে জমিয়তে আহলুস সুন্নাহ কমিটি বাংলাদেশ-এর লক্ষ্য বাস্তবায়নের একটি শক্তিশালী হাতিয়ার।
এটি শুধু সংবাদ প্রকাশের মাধ্যম নয়— বরং নতুন প্রজন্মের দ্বীনি চেতনা, নৈতিক শিক্ষা এবং আধ্যাত্মিক উন্নয়নের বাতিঘর হিসেবে কাজ করবে ইনশাআল্লাহ ।
পত্রিকার মাধ্যমে সংগঠন দেশের মুসলিম সমাজে আলো ছড়িয়ে, সংগঠিত, শান্তিপূর্ণ ও ঐক্যবদ্ধ সমাজ গঠনে অবদান রাখবেইনশাআল্লাহ ।