১৫২ নং জুম্মার প্রথম খুতবা
عنوان:
خطرُ الاغتصابِ وعقوبتُهُ في الإسلام
═ধর্ষণের ভয়াবহতা ও ইসলামে এর শাস্তি”═ المقدمة ═══════
الحمدُ للهِ الَّذي حرَّمَ الظُّلمَ والفواحشَ ما ظهرَ منها وما بطن، وأمرَ بالعفَّةِ والطَّهارةِ وصيانةِ الأعراض، ونشهدُ أن لا إلهَ إلا اللهُ وحده لا شريكَ له، جعلَ الأمنَ رحمةً والاعتداءَ جريمةً، ونشهدُ أنَّ سيدَنا محمداً عبدُه ورسولُه، المبعوثُ رحمةً للعالمين، صلى اللهُ عليهِ وعلى آلهِ وأصحابهِ أجمعين.
════════ الواقعة التاريخية ═══════
روى أهلُ السِّيَرِ والفقهِ أنَّ امرأةً خرجت في عهدِ رسولِ اللهِ ﷺ لحاجةٍ لها، فتعرضَ لها رجلٌ فاغتصبَها قهراً وظلماً، فاستغاثتْ بالناسِ حتى أُخذَ الرَّجلُ وأُتيَ به إلى النبيِّ ﷺ، فأقامَ عليهِ الحدَّ، وبرَّأ المرأةَ المظلومةَ ولم يجعلْ عليها إثماً ولا عقوبةً، لأنَّها كانت مُكرهةً مغلوبةً على أمرِها. وفي هذا بيانٌ لعظمةِ الشريعةِ في حمايةِ الأعراضِ وردعِ المعتدين، وأنَّ الظلمَ إذا انتشرَ هلكتِ المجتمعاتُ وفسدتِ الأخلاقُ وضعفتِ الرَّحمةُ بين الناسِ. وقال أهلُ التزكيةِ والتصوفِ: إنَّ حفظَ الفرجِ من أعظمِ مقاماتِ التقوى، ومن لم يملكْ شهوتهُ أوردتهُ المهالكُ والفضائحُ في الدنيا والآخرة.
═══ الآيات القرآنية ══
قال اللهُ تعالى:
﴿وَلَا تَقْرَبُوا الزِّنَى إِنَّهُ كَانَ فَاحِشَةً وَسَاءَ سَبِيلًا﴾
[الإسراء: ٣٢]
وقال سبحانه:
﴿إِنَّ الَّذِينَ يُؤْذُونَ الْمُؤْمِنِينَ وَالْمُؤْمِنَاتِ بِغَيْرِ مَا اكْتَسَبُوا فَقَدِ احْتَمَلُوا بُهْتَانًا وَإِثْمًا مُبِينًا﴾
[الأحزاب: ٥٨]
وقال تعالى:
﴿وَالَّذِينَ هُمْ لِفُرُوجِهِمْ حَافِظُونَ ۝ إِلَّا عَلَى أَزْوَاجِهِمْ﴾
[المؤمنون: ٥-٦]
وقال سبحانه:
﴿إِنَّ اللَّهَ يَأْمُرُ بِالْعَدْلِ وَالإِحْسَانِ﴾
[النحل: ٩٠]
قال المفسرون: إنَّ هذه الآياتِ تدلُّ على تحريمِ كلِّ اعتداءٍ على الأعراضِ والأنفسِ، وأنَّ الاغتصابَ من أعظمِ صورِ الظلمِ والفجورِ، لأنَّه جمعَ بين الزنا والإكراهِ والعدوانِ وإفسادِ الأمنِ. وقال الإمامُ القرطبيُّ رحمهُ اللهُ: “كلُّ من أكرهَ امرأةً على الفاحشةِ فهو ظالمٌ معتدٍ تجبُ عليهِ العقوبةُ الشديدةُ”.
══════ الأحاديث الصحيحة ═══
قال رسولُ اللهِ ﷺ:
«لَا ضَرَرَ وَلَا ضِرَارَ»
رواه ابن ماجه.
وقال ﷺ:
«المُسْلِمُ مَنْ سَلِمَ المُسْلِمُونَ مِنْ لِسَانِهِ وَيَدِهِ»
متفقٌ عليه.
وقال ﷺ:
«إِنَّ دِمَاءَكُمْ وَأَعْرَاضَكُمْ وَأَمْوَالَكُمْ عَلَيْكُمْ حَرَامٌ»
متفقٌ عليه.
وروى أبو داود أنَّ النبيَّ ﷺ أقامَ الحدَّ على رجلٍ اعتدى على امرأةٍ مُكرهةٍ، ولم يجعلْ على المرأةِ شيئاً، لأنَّها مظلومةٌ غيرُ مختارةٍ.
وفي هذه الأحاديثِ دليلٌ واضحٌ على أنَّ الإسلامَ يحفظُ كرامةَ الإنسانِ، ويُعاقبُ المعتدي عقوبةً رادعةً، وأنَّ الاعتداءَ الجنسيَّ جريمةٌ عظيمةٌ تستوجبُ الحدَّ والتعزيرَ بحسبِ حالِ الجاني وجريمتِه. وقال أهلُ العلمِ: إذا اقترنَ الاغتصابُ بالسلاحِ أو التهديدِ صارَ من الحرابةِ والإفسادِ في الأرضِ.
═════ الدروس والعبر ══════
أيها المؤمنون، إنَّ الاغتصابَ جريمةٌ تهدمُ الأخلاقَ وتُفسدُ الأمنَ وتُغضبُ الرحمنَ، فعلينا تربيةُ الأبناءِ على العفَّةِ وغضِّ البصرِ ومراقبةِ اللهِ تعالى، كما يجبُ على المجتمعِ حمايةُ النساءِ وردعُ المجرمينَ ونشرُ الحياء والطهارة. ومن تركَ شهوتهُ للهِ عوَّضهُ اللهُ طمأنينةً ونوراً في قلبِه.
══════ الخاتمة ═══════
اللهمَّ احفظْ أبناءَنا وبناتِنا من الفواحشِ والفتن، وطهِّرْ مجتمعاتِنا من الظلمِ والاعتداء، وانصرِ المظلومينَ، وأصلحِ الشبابَ والشاباتِ، واجعلْنا من عبادِكَ المتقينَ العفيفينَ، وصلِّ اللهمَّ على سيدِنا محمدٍ وعلى آلهِ وصحبِهِ أجمعين.المقدمة (ভূমিকা)
الحمدُ للهِ الَّذي حرَّمَ الظُّلمَ والفواحشَ ما ظهرَ منها وما بطن،
সকল প্রশংসা সেই আল্লাহর জন্য, যিনি প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য সকল জুলুম ও অশ্লীলতাকে হারাম করেছেন।
وأمرَ بالعفَّةِ والطَّهارةِ وصيانةِ الأعراض،
এবং পবিত্রতা, চরিত্রের সতীত্ব ও ইজ্জতের হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।
ونشهدُ أن لا إلهَ إلا اللهُ وحده لا شريكَ له،
আর আমরা সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, তিনি একক, তাঁর কোনো শরীক নেই।
جعلَ الأمنَ رحمةً والاعتداءَ جريمةً،
তিনি নিরাপত্তাকে রহমত এবং অত্যাচারকে অপরাধ বানিয়েছেন।
ونشهدُ أنَّ سيدَنا محمداً عبدُه ورسولُه،
আর আমরা সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আমাদের সর্বোচ্চ মর্যাদা ও সম্মানিত প্রিয়নবী মুহাম্মদ ﷺ তাঁর বান্দা ও রাসূল।
المبعوثُ رحمةً للعالمين،
যিনি সমগ্র মহা বিশ্বের জন্য রহমতস্বরূপ প্রেরিত হয়েছেন।
صلى اللهُ عليهِ وعلى آلهِ وأصحابهِ أجمعين.
আল্লাহ তাঁর উপর, তাঁর পরিবার ও সকল সাহাবির উপর শান্তি বর্ষণ করুন।
الواقعة التاريخية (ঐতিহাসিক ঘটনা)
روى أهلُ السِّيَرِ والفقهِ أنَّ امرأةً خرجت في عهدِ رسولِ اللهِ ﷺ لحاجةٍ لها،
সীরাত ও ফিকহবিদগণ বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর যুগে এক মহিলা তার প্রয়োজনের জন্য বের হয়েছিলেন।
فتعرضَ لها رجلٌ فاغتصبَها قهراً وظلماً،
অতঃপর এক ব্যক্তি জোরপূর্বক ও জুলুমের মাধ্যমে তাকে ধর্ষণ করল।
فاستغاثتْ بالناسِ حتى أُخذَ الرَّجلُ وأُتيَ به إلى النبيِّ ﷺ،
তখন তিনি মানুষের নিকট সাহায্য প্রার্থনা করলেন, অবশেষে ঐ ব্যক্তিকে আটক করে নবী ﷺ-এর নিকট আনা হলো।
فأقامَ عليهِ الحدَّ،
তখন রাসূল ﷺ তার উপর শরয়ী শাস্তি কার্যকর করলেন।
وبرَّأ المرأةَ المظلومةَ ولم يجعلْ عليها إثماً ولا عقوبةً،
এবং নির্যাতিত মহিলাকে নির্দোষ ঘোষণা করলেন, তার উপর কোনো গুনাহ বা শাস্তি আরোপ করলেন না।
لأنَّها كانت مُكرهةً مغلوبةً على أمرِها.
কারণ তিনি বাধ্য ও অসহায় ছিলেন।
وفي هذا بيانٌ لعظمةِ الشريعةِ في حمايةِ الأعراضِ وردعِ المعتدين،
এতে ইজ্জত রক্ষায় ও অপরাধীদের প্রতিহত করার ক্ষেত্রে ইসলামী শরীয়তের মহানত্ব প্রকাশ পায়।
وأنَّ الظلمَ إذا انتشرَ هلكتِ المجتمعاتُ وفسدتِ الأخلاقُ وضعفتِ الرَّحمةُ بين الناسِ.
এবং যখন জুলুম ছড়িয়ে পড়ে তখন সমাজ ধ্বংস হয়, চরিত্র নষ্ট হয় এবং মানুষের মাঝে দয়া-দাক্ষিণ্য দুর্বল হয়ে যায়।
وقال أهلُ التزكيةِ والتصوفِ:
তাযকিয়া ও তাসাউফের আলেমগণ বলেছেন—
إنَّ حفظَ الفرجِ من أعظمِ مقاماتِ التقوى،
লজ্জাস্থানের হেফাজত তাকওয়ার সর্বশ্রেষ্ঠ স্তরসমূহের একটি।
ومن لم يملكْ شهوتهُ أوردتهُ المهالكُ والفضائحُ في الدنيا والآخرة.
আর যে ব্যক্তি তার প্রবৃত্তিকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না, তা তাকে দুনিয়া ও আখিরাতে ধ্বংস ও লাঞ্ছনার দিকে নিয়ে যায়।
الآيات القرآنية (কুরআনের আয়াতসমূহ)
قال اللهُ تعالى:
আল্লাহ তাআলা বলেন—
﴿وَلَا تَقْرَبُوا الزِّنَى إِنَّهُ كَانَ فَاحِشَةً وَسَاءَ سَبِيلًا﴾
“তোমরা ব্যভিচারের নিকটেও যেয়ো না; নিশ্চয়ই এটি অশ্লীল কাজ এবং অত্যন্ত নিকৃষ্ট পথ।”
— সূরা ইসরা: ৩২
وقال سبحانه:
আর তিনি বলেন—
﴿إِنَّ الَّذِينَ يُؤْذُونَ الْمُؤْمِنِينَ وَالْمُؤْمِنَاتِ بِغَيْرِ مَا اكْتَسَبُوا﴾
“যারা অন্যায়ভাবে মুমিন পুরুষ ও নারীদের কষ্ট দেয়—”
﴿فَقَدِ احْتَمَلُوا بُهْتَانًا وَإِثْمًا مُبِينًا﴾
“তারা অবশ্যই অপবাদ ও প্রকাশ্য গুনাহ বহন করল।”
— সূরা আহযাব: ৫৮
وقال تعالى:
আল্লাহ আরও বলেন—
﴿وَالَّذِينَ هُمْ لِفُرُوجِهِمْ حَافِظُونَ ۝ إِلَّا عَلَى أَزْوَاجِهِمْ﴾
“আর তারা নিজেদের লজ্জাস্থানের হেফাজত করে, তবে নিজেদের স্ত্রীদের ক্ষেত্রে ব্যতীত।”
— সূরা মুমিনুন: ৫-৬
وقال سبحانه:
আর আল্লাহ বলেন—
﴿إِنَّ اللَّهَ يَأْمُرُ بِالْعَدْلِ وَالإِحْسَانِ﴾
“নিশ্চয়ই আল্লাহ ন্যায়বিচার ও সদাচরণের নির্দেশ দেন।”
— সূরা নাহল: ৯০
قال المفسرون:
মুফাসসিরগণ বলেছেন—
إنَّ هذه الآياتِ تدلُّ على تحريمِ كلِّ اعتداءٍ على الأعراضِ والأنفسِ،
এই আয়াতগুলো ইজ্জত ও জীবনের উপর সকল প্রকার আক্রমণ হারাম হওয়ার প্রমাণ বহন করে।
وأنَّ الاغتصابَ من أعظمِ صورِ الظلمِ والفجورِ،
এবং ধর্ষণ হচ্ছে জুলুম ও পাপাচারের সবচেয়ে জঘন্য রূপগুলোর একটি।
لأنَّه جمعَ بين الزنا والإكراهِ والعدوانِ وإفسادِ الأمنِ.
কারণ এর মধ্যে ব্যভিচার, জোর-জবরদস্তি, অত্যাচার ও সমাজের নিরাপত্তা নষ্ট করা—সবই একত্রিত হয়েছে।
وقال الإمامُ القرطبيُّ رحمهُ اللهُ:
ইমাম কুরতুবী রহ. বলেছেন—
“كلُّ من أكرهَ امرأةً على الفاحشةِ فهو ظالمٌ معتدٍ تجبُ عليهِ العقوبةُ الشديدةُ”.
“যে ব্যক্তি কোনো নারীকে জোরপূর্বক অশ্লীল কাজে বাধ্য করে, সে জালিম ও সীমালঙ্ঘনকারী; তার উপর কঠিন শাস্তি আবশ্যক।”
الأحاديث الصحيحة (সহীহ হাদীসসমূহ)
قال رسولُ اللهِ ﷺ:
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন—
«لَا ضَرَرَ وَلَا ضِرَارَ»
“নিজে ক্ষতি করবে না এবং অন্যকেও ক্ষতি করবে না।”
— ইবনে মাজাহ
وقال ﷺ:
তিনি আরও বলেছেন—
«المُسْلِمُ مَنْ سَلِمَ المُسْلِمُونَ مِنْ لِسَانِهِ وَيَدِهِ»
“প্রকৃত মুসলমান সে, যার জিহ্বা ও হাত থেকে অন্য মুসলমান নিরাপদ থাকে।”
— সহীহ বুখারী ও মুসলিম
وقال ﷺ:
তিনি আরও বলেন—
«إِنَّ دِمَاءَكُمْ وَأَعْرَاضَكُمْ وَأَمْوَالَكُمْ عَلَيْكُمْ حَرَامٌ»
“তোমাদের রক্ত, ইজ্জত ও সম্পদ একে অপরের জন্য হারাম।”
— সহীহ বুখারী ও মুসলিম
وروى أبو داود أنَّ النبيَّ ﷺ أقامَ الحدَّ على رجلٍ اعتدى على امرأةٍ مُكرهةٍ،
আবু দাউদে বর্ণিত আছে, নবী ﷺ সেই ব্যক্তির উপর শাস্তি কার্যকর করেছিলেন, যে এক বাধ্য নারীর উপর জুলুম করেছিল।
ولم يجعلْ على المرأةِ شيئاً،
আর মহিলার উপর কোনো শাস্তি আরোপ করেননি।
لأنَّها مظلومةٌ غيرُ مختارةٍ.
কারণ তিনি ছিলেন নির্যাতিতা ও বাধ্য।
وفي هذه الأحاديثِ دليلٌ واضحٌ على أنَّ الإسلامَ يحفظُ كرامةَ الإنسانِ،
এই হাদীসগুলো প্রমাণ করে যে ইসলাম মানুষের সম্মান রক্ষা করে।
ويُعاقبُ المعتدي عقوبةً رادعةً،
এবং অপরাধীকে কঠোর শাস্তি দেয়।
وأنَّ الاعتداءَ الجنسيَّ جريمةٌ عظيمةٌ تستوجبُ الحدَّ والتعزيرَ بحسبِ حالِ الجاني وجريمتِه.
আর যৌন নির্যাতন একটি ভয়াবহ অপরাধ, যা অপরাধীর অবস্থা অনুযায়ী শরয়ী শাস্তি ও দৃষ্টান্তমূলক দণ্ডের উপযুক্ত।
وقال أهلُ العلمِ:
আলেমগণ বলেছেন—
إذا اقترنَ الاغتصابُ بالسلاحِ أو التهديدِ صارَ من الحرابةِ والإفسادِ في الأرضِ.
যদি ধর্ষণের সাথে অস্ত্র বা ভয়ভীতি যুক্ত হয়, তবে তা ডাকাতি ও পৃথিবীতে ফাসাদ সৃষ্টির অন্তর্ভুক্ত হবে।
الدروس والعبر (শিক্ষা)
أيها المؤمنون، إنَّ الاغتصابَ جريمةٌ تهدمُ الأخلاقَ وتُفسدُ الأمنَ وتُغضبُ الرحمنَ،
হে মুমিনগণ! ধর্ষণ এমন অপরাধ যা চরিত্র ধ্বংস করে, সমাজের নিরাপত্তা নষ্ট করে এবং রহমান আল্লাহকে অসন্তুষ্ট করে।
فعلينا تربيةُ الأبناءِ على العفَّةِ وغضِّ البصرِ ومراقبةِ اللهِ تعالى،
অতএব আমাদের উচিত সন্তানদের পবিত্রতা, দৃষ্টি সংযম ও আল্লাহভীতির শিক্ষা দেওয়া।
كما يجبُ على المجتمعِ حمايةُ النساءِ وردعُ المجرمينَ ونشرُ الحياء والطهارة.
এবং সমাজের কর্তব্য নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, অপরাধীদের দমন করা এবং লজ্জাশীলতা ও পবিত্রতা ছড়িয়ে দেওয়া।
ومن تركَ شهوتهُ للهِ عوَّضهُ اللهُ طمأنينةً ونوراً في قلبِه.
আর যে ব্যক্তি আল্লাহর জন্য নিজের কুপ্রবৃত্তি দমন করে, আল্লাহ তার অন্তরে প্রশান্তি ও নূর দান করেন।
الخاتمة (উপসংহার)
اللهمَّ احفظْ أبناءَنا وبناتِنا من الفواحشِ والفتن،
হে আল্লাহ! আমাদের ছেলে-মেয়েদের অশ্লীলতা ও ফিতনা থেকে হেফাজত করুন।
وطهِّرْ مجتمعاتِنا من الظلمِ والاعتداء،
এবং আমাদের সমাজকে জুলুম ও নির্যাতন থেকে পবিত্র করুন।
وانصرِ المظلومينَ،
আর নির্যাতিতদের সাহায্য করুন।
وأصلحِ الشبابَ والشاباتِ،
এবং যুবক-যুবতীদের সংশোধন করুন।
واجعلْنا من عبادِكَ المتقينَ العفيفينَ،
আর আমাদেরকে আপনার তাকওয়াবান ও পবিত্র বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত করুন।
وصلِّ اللهمَّ على سيدِنا محمدٍ وعلى آلهِ وصحبِهِ أجمعين.
হে আল্লাহ! আমাদের সর্বোচ্চ সম্মানিত প্রিয়নবী রাসুল মুহাম্মদ ﷺ, তাঁর পরিবার ও সকল সাহাবির উপর দুরুদ ও সালাম বর্ষণ করুন।۝۝۝۝۝🔷══🔷الْخُطْبَةُ الجُمُعَةِ الثَّانِيَةُজুমার নামাজের সানী খুতবা لِلْجُمُعَةِ – ③ جُزْءُ الثَّالِث ۝ ۝ ۝ ۝۝۝۝۝۝۝۝
الحمدُ للهِ الذي أظهرَ نورَ الحبيبِ في أفقِ الوجود، وجعلَ عيدَ مولدِ حبيبِنا ومولانا سيِّدِنا محمدٍ ﷺ فرحًا وسرورًا للعالمين، وبمجيءِ النبيِّ ﷺ إلى الدنيا أشرقتِ الأرضُ نورًا، وسرًّا من أسرارِ لطفِه المخزون.
والصلاةُ والسلامُ على سيِّدِنا ومولانا محمّدٍ ﷺ، شمسِ الهدايةِ، وبدرِ الكمالِ، ومظهرِ أنوارِ المحبّةِ والجمالِ، وعلى آلهِ الطاهرين، وصحابتِه الغرِّ الميامين، ومن تبعهم بإحسانٍ إلى يومِ الدين.أمّا بعدُ؛يا أيُّها الحاضرون الكرام،
إنَّ هذا الذي نُحدِّثُكم به اليوم في هذه الخُطبةِ إنَّما هو أنوارُ المحبّةِ والسلامِ والقيامِ في رحابِ مولدِ خيرِ الأنامِ ﷺ، قد جمعناه تعظيمًا لمقامِ حضرةِ المصطفى ﷺ، وإظهارًا لما أودعَهُ اللهُ تعالى في قلوبِ المؤمنين من محبّتِه الشريفة، وقيامًا بواجبِ الأدبِ والتوقيرِ لجنابِه العظيمِ ﷺ، فاسمعوا بقلوبٍ خاشعةٍ، وذُكِّروا أنفسَكم بنورِ المحبّةِ والاتباعِ..”عِطْرًا، اَللّٰهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ عَلَى سَيِّدِنَا حَبِيبِ الْمُصْطَفَى، سِرِّ الْعَالَمِينَ، نُورِ الْمُجَسَّمِ، رَحْمَةٍ مُّهْدَاةٍ، شَمْسِ الْهُدَى، مُحَمَّدٍ وَآلِهِ، صَلَاةً تَمْلَأُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ، وَبِعَدَدِ كُلِّ ذَرَّةٍ مِائَةَ أَلْفِ أَلْفِ مَرَّةٍ، وَبَارِكْ وَسَلِّمْ دَائِمًا أَبَدًا اللَّهُمَّ لا تَجْعَلْ صَلَاتَنَا صيامنا وقيامناوَتِلَاوَتَنَا لِلْقُرْآنِا وركوعنا وسجودنا، وَذِكْرَنَا وَمَوْلِدَنَا وَالصَّلَوَاتِ عَلَى النَّبِيِّ ﷺ وَالسَّلَامَ قِيَامَ الشَّرِيفِ وَصَدَقَاتِنَا، وَجَمِيعَ أَعْمَالِنَا الصَّالِحَةِ.آخِرَ عَمَلِنَا، وَتَقَبَّلْهَا مِنَّا تَقَبُّلًا حَسَنًا، يَا أَرْحَمَ الرَّاحِمِينَ. تَقَبَّلْ مِنَّا . اجْعَلْنَا مِنْ عِبَادِكَ الْمَقْبُولِينَ، وَلَا تَجْعَلْنَا مِنَ الْمَحْرُومِينَ.
،، اللهم أعده علينا أعواماً عديدة وأزمنة مديدة ونحن في صحةٍ وعافيةٍ وإيمان..اللهم اجعل هذا البلد آمناً مطمئناً، وسائر بلاد المسلمين، اللهم انشر السلام والرحمة، وارفع عنا الفتن ما ظهر منها وما بطن.
اللهم أصلح أحوال المسلمين، وبارك في أرزاقهم، وارفع درجاتهم، وحقق لهم التقدم في الدين والدنيا، واجعلهم من عبادك الصالحين.اللهم عليك بالظالمين فإنهم لا يعجزونك، اللهم خذهم أخذ عزيزٍ مقتدر، وأرنا فيهم عجائب قدرتك، اللهم من أراد بالإسلام والمسلمين سوءاً فاجعل كيده في نحره.اللهم انصر المظلومين في كل مكان، اللهم كن لهم معيناً ونصيراً، وفرج كربهم، واشف جرحاهم، وارحم شهداءهم، واجعلهم من أهل الجنة.
اللهم ارزقنا شفاعة نبيك محمد ﷺ يوم القيامة، واسقنا من يده الشريفة شربةً هنيئة لا نظمأ بعدها أبداً.
اللهم احشرنا تحت لوائه، واجعلنا من أهل سنته، وارزقنا محبته ومحبّة آله وأصحابه.اللهم ارزقنا صحبة الأولياء والصالحين، واجعلنا من أهل الذكر والمعرفة، ونوّر قلوبنا بنورك، واملأها بحبك يا رب العالمين.
اللهم اختم لنا بالحسنى، واجعل آخر كلامنا من الدنيا لا إله إلا الله محمد رسول الله.اللَّهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ وَبَارِكْ عَلَى سَيِّدِنَا وَمَوْلَانَا مُحَمَّدٍ ﷺ،النُّورِ الْمُجَسَّمِ، وَالسِّرِّ الْمُعَظَّمِ،الَّذِي خَلَقْتَهُ أَوَّلَ الْخَلْقِ،وَجَعَلْتَهُ مَظْهَرَ نُورِكَ،وَرَحْمَةً لِلْعَالَمِينَ.۝۝۝🔷══════